ডামুড্যা পৌরসভার বর্জ্য সরাসরি ফেলা হচ্ছে উপজেলা ফুসফুস খ্যাত জয়ন্তী নদীতে। এতে নদীর পানি ও আশপাশের পরিবেশ দূষিত হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে শরীয়তপুর জেলার অন্যতম জয়ন্তী নদী যেন ডামুড্যা পৌরসভার ডাষ্টবিনে পরিনত হচ্ছে।
ডামুড্যা বাজারের ব্যবসায়ী আবু আলম জানান, দখল, দূষন, আর প্রযোজনীয় পদক্ষেপের অভাবে আমাদের নদীটি তার অস্থিত্ব হারাতে বসেছে ।
হাজার বছরের ইতিহাস ঐতিহ্যেও সমৃদ্ধ ডামুড্যা বন্দর এ নদীর তীরে গড়ে উঠে আজও আপন মহিমায় টিকে আছে। অথচ বন্দরের প্রাণ সেই জয়ন্তী নদী মানুষের নির্মমতায মরতে বসেছে।
সঙ্গে পানিবাহিত রোগে এই উপজেলার মানুষের গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকির আশস্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেজ্ঞরা। বছরের পর বছর অবাদে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওর্য়াড থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্য ফেলা হচ্ছে এই নদীতে। এতে স্তুপ আকারে পাহাড় হয়ে জমে আছে। অপচনশীল পদার্থ দিয়ে ভরাট হচ্ছে জয়ন্তী নদীর তলদেশ।
সাবেক কমিশনার ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ উজ্জল সিকদার বলেন, জয়ন্ত্রী নদীকে কেন্দ্র করে আমাদের এ বন্দর আজো টিকে আছে। বর্জ্য ফেলে দূষন করা কোন মতে পৌরবাসী মেনে নিবেনা। তাই দ্রুত বিষয়টির উপর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যাতে নদীর পানি ও পরিবেশ দূষন রোধ করা হয়।
জয়ন্তী নদীতে বর্জ্য ফেলার বিষয় পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আব্দুল মালেক বলেন, সরকারি জমিতে বর্জ্য ফেলা হলে তা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উন্মুক্ত স্থানে ময়লা আবর্জনা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করা কারোই সুযোগ নাই।
ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরীন বেগম সেতু বলেন, পরিবেশ বান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষ থেকে জমি কেনার পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। জমি কেনা হলে নির্দিষ্ট স্থানে সব বর্জ্য ডাম্পিং করা হবে। তার পরেও নদীতে ময়লা পেলার সুযোগ নাই।