Wednesday 19th June 2024
Wednesday 19th June 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/public_html/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

শারদীয় দুর্গাপূজা সপ্তমী অনুষ্ঠিত

নড়িয়া উপজেলার একটি পূজা মন্ডপ থেকে তোলা। ছবি-দৈনিক হুংকার।

গত শুক্রবার মহা ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে শরীয়তপুরে শুরু হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজা। আগামী ২৪ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটবে বাঙালির এই শারদোৎসবের।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় এ ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে এখন সারা দেশের ন্যায় শরীয়তপুরেও বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। দুর্গাপূজাকে আনন্দমুখর করে তুলতে জেলাব্যাপি পূজা মণ্ডপগুলো বর্ণাঢ্য সাজে সাজানো হয়েছে।
বিশুদ্ধ পঞ্জিকা অনুযায়ী, দেবী দুর্গা এবার আসছেন ঘোড়ায়, আর আর যাবেনও ঘোড়ায় চড়ে। ঘোড়া এমন একটি বাহন যা যুদ্ধের সময়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ঘোড়ার পায়ের শব্দও যুদ্ধেরই ইঙ্গিত দেয়। তাই পঞ্জিকা মতেই ঘোটকে আগমন মানেই ছত্রভঙ্গের কথাই বলা হয়। অর্থাৎ এই সময়ে যুদ্ধ, অশান্তি, হানাহানির সম্ভাবনা থাকে।
পঞ্জিকা বলছে, মা দুর্গার এবার একই বাহন অর্থাৎ ঘোড়াই গমন করবেন।
২০ অক্টোবর ষষ্ঠী, ২১ অক্টোবর সপ্তমী, ২২ অক্টোবর অষ্টমী, ২৩ অক্টোবর নবমী এবং ২৪ অক্টোবর দশমী। এবার শরীয়তপুর জেলায় মোট ৯৯টি পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যার মধ্যে সদর উপজেলা ৩০টি, নড়িয়া উপজেলায় ৩২টি, জাজিরা উপজেলায় ৫টি, ভেদরগঞ্জ উপজেলায় ১৭টি, ডামুড্যা উপজেলায় ৮টি ও গোসাইরহাট উপজেলায় ৭টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
দুর্গোৎসব উপলক্ষে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম এমপি, শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক পৃথক পৃথক বাণীতে জেলাবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। এ ছারাও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন আহম্মেদ, পুলিশ সুপার মো: মাহাবুবুল আলম, হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এ্যাডভোকেট অমিত ঘটক চৌধূরী জানান, বর্তমান সরকার রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে আসার পর প্রতি বছর ধারাবাহিক ভাবে পূজার সংখ্যা বেড়েছে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আস্থা, সরকারি অনুদান ও শুভানুধ্যায়ীদের অনুদান নিঃসন্দেহে পূজার সংখ্যা বাড়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে।
জেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ, আনসার, র‌্যাব ও বিডিআর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে। পুলিশ এবং র‌্যাবের পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর দায়িত্ব পালন করছে স্থানীয়রা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।