শরীয়তপুর-চাঁদপুর সড়কের মেঘনা নদীর নরসিংহপুর-হরিণা ঘাটে চলাচলকারি দুটি ফেরি পর পর বিকল হয়ে পরেছে। এতে যানবাহন পারাপারের বিলম্বের কারণে যানজট তীব্র হচ্ছে। মেঘনা নদী পারাপারের অপেক্ষায় উভয় প্রান্তে শত শত যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী যানবাহন আটকে রয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী, চালক ও ব্যবসায়ীরা।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌরুটে সাধারণত চারটি ফেরির চলাচল করে। তবে গত বুধবার দুপুরের পর থেকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ‘কস্ত‘রি’ ও ‘কলমি লতা’ নামের দুটি ফেরি পর পর বিকল হয়ে যায়। এতে পারাপারে তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়।
ফেরি সংকটের কারণে শরীয়তপুরের নরসিংহপুর ফেরিঘাট ও চাঁদপুর প্রান্তের হরিণা ঘাটে দাঁড়িয়ে রয়েছে বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন ধরণের যানবাহন।
বিআইডব্লিউটিসি জানায়, বিকল হয়ে পড়া ফেরি দুটি মেরামতের জন্য ডকইয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ভোলা ফেরিঘাট থেকে ‘কাবেরী’ নামের একটি ফেরি শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌরুটে যুক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নরসিংহপুর ফেরিঘাটের টার্মিনাল সুপারিনটেনডেন্ট রাসেল হোসেন বলেন, আমাদের চারটি ফেরির মধ্যে দুটি ফেরি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত দুই দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এর ফলে পারাপারের উভয় পারে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। বিকল ফেরী মেরামতের কাজ চলছে। আশা করছি দ্রুত ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে।