আজ , , ,

মোংলা বন্দরে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে দক্ষিণের অর্থনীতিতে আশার আলো

রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর দ্বিতীয়বারের মত মোংলা বন্দর সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে মোংলা বন্দরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেটের উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি। এর আগে ২২ অক্টোবর সংক্ষিপ্ত সফরে মোংলা বন্দরের জেটি ও প্রস্তাবিত ইকোনমিক জোন এলাকা পরিদর্শণ করেন তিনি।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে বন্দরে নতুন দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণসহ অবকাঠামো উন্নয়নের একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিন নতুন দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের পণ্য ওঠানামা ও কনটেইনার পরিবহনের সক্ষমতা বাড়বে, যা দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। মোংলা বন্দরকে ঘিরে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি হয়ে উঠবে আরো গতিশীল।
প্রকল্পের আওতায় ৩৬৮ মিটার দৈর্ঘ্যের কনটেইনার টার্মিনাল ও ইয়ার্ড নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি বিপজ্জনক পণ্য (ডেঞ্জারাস কার্গো) হ্যান্ডলিংয়ের ব্যবস্থাও থাকবে। নতুন কনটেইনার ইয়ার্ডে ৪৯টি যন্ত্রপাতি যুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে ঘণ্টায় ৩০টির বেশি কনটেইনার খালাস করা সম্ভব হবে। সব মিলিয়ে বছরে চার লাখ টিইইউ (২০ ফুট সমমানের কনটেইনার) হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা অর্জন করবে মোংলা বন্দর।
এদিকে একই দিন প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বন্দরের ৯ নম্বর জেটিতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হবে বলেও জানান বন্দর কর্তৃপক্ষ।
মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হবে। গত ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ৪৭৫ কোটি টাকা। বাকি ৩ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা অর্থায়ন করবে চীন।
বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল) আসনের সংসদ সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনে চীনের সাথে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে এতে মোংলা বন্দরের সাথে রেলওয়ের সংযোগ স্থাপিত হবে। এর মাধ্যমে আইসিটি থেকে পণ্য মোংলা বন্দরে আসবে। এরপর ওইসব পণ্য শিপমেন্ট হবে মোংলা বন্দরের জেটি দিয়ে।
এদিকে মোংলা নদীতে ঝুলন্ত সেতু নির্মাণ, মোংলা-খুলনা মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ এবং বহু প্রতীক্ষিত খান জাহান আলী বিমান বন্দরের কাজ দ্রুতততম সময়ের মধ্যে শুরু করতে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন মোংলা-রামপালের সর্বস্তরের মানুষ।

Share this news as a Photo Card


১২ অক্টোবর ২০২৬

শরীয়তপুরে ফ্যামিলি কার্ড সংগ্রহসংক্রান্ত প্রেস কনফারেন্স

www.hongkar.com |
dailyhongkar