আজ , , ,

নড়িয়ায় ঘুমে থাকা অবস্থায় বাড়িঘর ভাংচুর, আহত ২ নারী

বসত বাড়িতে হামলা করে ঘর ভাঙ্গে এবং লুটপাট করে এমন শব্দে ঘুম ভেঙ্গেছে পরিবারের অনেক সদদ্যের। ২৯ জুন সোমবার ভোর ৫টার দিকে এমন ঘটনা ঘটে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার মানাখান গ্রামের ভ্যান চালক আবু তাহের দেওয়ানের বাড়িতে। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এমন ঘনা ঘটেছে। এই বিষয়ে আদালতের মামলা চলছে এবং রয়েছে নিষেধজ্ঞা আদেশ। সব কিছুই উপেক্ষা করে ভাড়াটে লোকজন নিয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে প্রভাবশালী প্রতিপক্ষ সেলিম খন্দকার ও তার ভাই বারেক খন্দকার। এসময় বাড়িতে বসবাসকারী মহিলাদেরও হেনস্থা ও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আহত খাদিজা বেগমকে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে সত্যতা পেয়েছে নড়িয়া থানা পুলিশ।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এই জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলামান রয়েছে। প্রভাবশালী প্রতিপক্ষ ইতোমধ্যে আরো ১১টি ফৌজদারী মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে। সোমবার ভোরে সকলে ঘুমে ছিল। কেউ ফজরের নামাজে ছিল। সেই সময় হামলাকারীরা হাতুড়ি ও দেশীয় অস্ত্রাদি নিয়ে হামলা চালিয়ে বাড়িতে ভাংচুর করে।

নাড়িয়া হাসপাতালে চিকিৎসারত খাদিজা বেগম জানায়, তার স্বামী সৌদি প্রবাসে থাকে। ভ্যানচালক চাচা শ^শুর আবু তাহের দেওয়ান, ৩ জা ও ছোট ছ্টো সন্তানদের নিয়ে তারা বাড়িতে থাকে। ঘুমন্ত অবস্থায় বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর করে। বাধা দিতে গিয়ে তিনি ও তার জা আহত হয়েছে। তারা আইনী ও প্রশাসনিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এই বিষয়ে আবু তাহের দেওয়ান জানায়, তাদের প্রতিপক্ষ প্রবাবশালী এবং ইতালি প্রবাসী। তাদের ৬ জন ইতালি থাকে। পালাক্রমে কেউ না কেউ দেশে থাকে। যে যখন দেশে থাকে সেই আমাদের বিরুদ্ধে একটি করে মিথ্যা মামলা দেয়। জমিজমার মামলা ছাড়াও আমাদের বিরুদ্ধে আরো ১১টি মিথ্যা ফৌজদারী মামলা করেছে প্রতিপক্ষ। আমরা এখন নি:স্ব হয়ে গেছি। তার পরেও আবার বাড়িঘর ভাংচুর করে।
এই বিষয়ে কথা হয় হামলায় নেতৃত্বদানকারী সেলিম খন্দকারের সাথে। তিনি জানায়, যে জমি নিয়ে মামলা ছিল সেই জমির উপরে স্থাপনা নির্মাণ করে প্রতিপক্ষ ভোগ দখল করতেছে। আমাদের উকিলের সাথে পরামর্শ করে জমি দখল মুক্ত করেছি। আমরা কাউকে মারধর করিনি।
এই বিষয়ে নড়িয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মো. বাহার মিয়া জানায়, লিখিত অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এই বিষয়ে জিডি বা মামলা হতে পারে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

Share this news as a Photo Card


২১ মে ২০২৬

গোসাইরহাটে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক ত্রৈ-মাসিক সমন্বয় সভা

www.hongkar.com |
dailyhongkar