ডামুড্যা উপজেলার চর সিধলকুড়া গ্রামের ফারজানা আক্তার প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে একই উপজেলার কুলকুড়ি গ্রামের সোহাগ আহমেদের সাথে। সম্পর্ক গভীর হওয়ার সাথে সাথে বিয়ের সিদ্ধান্তে আগায় এই যুগল। সোহাগের কর্মস্থল ঢাকার বাড্ডায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করতে শুরু করে তারা।
এবার ১৫ নভেম্বর রাতে প্রেমিকার পিত্রালয়ে গিয়ে ফেসে যায় প্রেমিক সোহাগ। সেখানেই রাত্রি যাপন করতে হয় তাকে। সংবাদ পেয়ে ১৬ নভেম্বর সকালে সোহাগের পরিবার লোকজন নিয়ে প্রেমিকার পরিবারকে মারধর করে সেখান থেকে সোহাগকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
এদিকে মেয়ের বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়ায় বিপাকে পড়ে যায় ফারজানার পরিবার। মেয়ের কলঙ্কে সমাজের কাছে ছোট হওয়া ও মান-সম্মান নষ্ট হওয়ার ভয়ে আতঙ্কিত ফারজানার পরিবার।
সামাজিক অবস্থান টিকিয়ে রেখে মেয়েকে স্ত্রীর মর্যাদা পাইয়ে দিতে সোহাগের পরিবার ও সমাজের প্রতি আহবান জানিয়েছেন ফারজানার বাবা-মা, ভাই ও দাদী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ছেলেটি সারা রাত ফারজানাদের বাড়িতে ছিল। সকালে ৫০ থেকে ৬০ জন লোক এসে ফারজানার বাবা-মা ও ভাই-বোনদের মারধর করে ছেলেটিকে ছিনিয়ে নেয়। ফারজানার বাবা-মাও ছেলেটিকে আটকে রাখতে চেষ্টা করে। তাদের লোকবল কম হওয়ায় আটকাতে পারেনি।