আজ , , ,

ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামালা, প্রবাসীকে কুপিয়ে জখম

শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরে এক ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের বাড়ঘরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এসময় এক মালয়েশিয়া প্রবাসী সহ কয়েকজনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। গুরুতর আহত মালয়েশিয়া প্রবাসী আফজাল সিকদারকে (২৭) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) রাত ৯টার দিকে ডামুড্যা উপজেলার ধানকাঠি ইউনিয়নের মাহমুদপট্টি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ইউপি সদস্য হালিম খানকে প্রধান আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন প্রবাসী আফজাল শিকদারের পরিবার।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি সদস্য হালিম খান।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, পূর্ব বিরোধের জের ধরে গত মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চরপাতালিয়া বাজারে যাওয়ার পথে ইয়াকুব সরদার (১৯) নামে এক যুবককে স্থানীয় কয়েকজন যুবক পথরোধ করে মারধর করে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে স্থানীয় ইউপি সদস্য হালিম খান পরদিন মীমাংসার কথা বলে থাকলেও তা হয়নি।
অভিযোগে রয়েছে, মিমাংসার কথা বলে ইউপি সদস্য হালিম খান নিজেই লোকজন নিয়ে ওইদিন রাত ৯টার দিকে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরের হামলা চালায়। তারা বাড়িঘর ভাংচুর করে এবং সামনে যাকে পায় তাকেই কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। বিশেষ করে শাহ আলম শিকদারের ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী আফজাল সিকদারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আফজালের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ইউপি সদস্য হালিম খানকে প্রধান আসামি করে কয়েকজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩০-৪০ জনকে আসামি করে ডামুড্যা থানায় মামলা দায়ের করেছেন প্রবাসী আফজাল সিকদারের বড় ভাই জয়নাল শিকদার।
এ বিষয়ে মামলার বাদী জয়নাল শিকদার বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে ছোটরা মারামারি করেছে। এর জেরে মেম্বার হালিম খান মিমাংসার কথা বলে লোকজন দিয়ে আমাদের এলাকায় হামলা চালায়। আমার ভাই আফজাল সিকদার তিন মাসের ছুটিতে বাড়ি আসে। সামনে পেয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। আমার ভাই বর্তমানে ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্য হালিম খান বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। পূর্ব বিরোধের জেরে ছোটরা মারামারি করেছে। আমি মিমাংসা করে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমার কথা কেউ রাখেনি।
ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক বলেন, ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share this news as a Photo Card


১৩ ডিসেম্বর ২০২৪

রাসেল’স ভাইপারের কামড় খেয়ে সাপ নিয়েই হাসপাতালে আক্রান্ত ব্যক্তি

www.hongkar.com |
dailyhongkar