ডামুড্যার একমাত্র সরকারি উচ বিদ্যালয় ডামুড্যা মুসলিম সরকারি উচ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট চরম আকার ধারণ করছ। বিদ্যালয়টির ২৭টি শিক্ষকের পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৫ জন শিক্ষক। ফলে শিক্ষার্থীদর নিয়মিত পাঠদান ব্যহত হচ্ছে।
বিদ্যালয় সূত্র জানা যায়, ১৯৪০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ২০১৮ সালে সরকারি করণ করা হয়। এরপর থেকেই সরকারি ভাবে নিয়োগ বন্ধ হয় যায় এবং ধীরে ধীরে শিক্ষক সংকট প্রকট হতে থাকে। বর্তমান প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকসহ ২২টি পদ শূণ্য রয়েছে। বর্তমানে বিজ্ঞান বিভাগে ৩ জন, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১ জন করে শিক্ষক রয়েছেন। অন্যদিকে, চতুর্থ শ্রেণির ৭টি পদই শূণ্য। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৫৬২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষক সংকটের কারণে অনক সময় ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষকদেরই ঘণ্টা দিতে হয় এবং একাধিক বিষয় ক্লাস নিত হচ্ছে।
অভিভাবকরা জানান, সরকারি বিদ্যালয় হওয়া সত্বেও তাদর সন্তানরা সঠিকভাব পাঠদান পাচ্ছে না। প্রায়ই ক্লাস বন্ধ থাকে, ফলে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয় উদ্বিগ্ন তারা ।
ডামুড্যা মুসলিম সরকারি উচ বিদ্যালয়র প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আবদুল মজিদ খান বলন, ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টি সরকারি হওয়ার পর নিয়োগ কার্যক্রম হয়নি। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে খণ্ডকালীন শিক্ষকও নিয়োগ দিতে পারছি না। বর্তমান ভোকেশনাল বিভাগের কয়েকজন শিক্ষক ধার নিয়ে ক্লাস চালাত হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার মান কমে যাচ্ছে এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যাও দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট রয়েছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তপক্ষকে জানারো হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।