আজ , , ,

জেলা প্রশাসকের শরীয়তপুর-ঢাকা সড়ক পরিদর্শণ : সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ

শরীয়তপুরের প্রধান সমস্যা শরীয়তপুর-ঢাকা সড়কের বেহাল দশা। শরীয়তপুর বাসীর দীর্ঘদিনের দাবী এই সড়কের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের। এই বিষয়টি জেলা প্রশাসকের একটি মিটিংয়ে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়। মিটিং থেকেই জেলা প্রশাসক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন শরীয়তপুর-ঢাকা সড়ক পরিদর্শণ করে সমাস্যাগুলো চিহ্নিত করার জন্য। সেই লক্ষ্যে ১৯ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল ৯টায় সড়ক পরিদর্শণ করেন জেলা প্রশাসক, সড়ক ও জনপদ বিভাগ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাবিল আহমেদ জানায়, শরীয়তপুরের ফায়ার সার্ভিস থেকে পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক পর্যন্ত ২৭ কিলোমিটার সড়ক। এই সড়কে দুটি প্যাকেজে কাজ চলমান রয়েছে। ১ নম্বর প্যাকেজ ফায়ার সার্ভিস থেকে জাজিরা টিএন্ডটি মোড় পর্যন্ত সড়ক। এর মধ্যে প্রেমতলা মোড় ও কোটাপাড়া ব্রিজ এবং রাজনগরের ব্রিজ এলাকায় কিছু অংশ বাদে ঠিকাদার দেড় বছর আগেই কাজ করে রেখেছে। এছাড়া দেড় কিলোমিটার অংশে মামলার জটিলতার কারণে দখল বুঝে না পাওয়ায় কাজ শুরু করতে পারছে না। ২ নং প্যাকেজের ২০২৩ সালের জুলাই থেকে কাজ শুরু হয়েছে। এই প্যাকেজের কাজীর হাট থেকে নাওডোবা পর্যন্ত যে জমি বুঝে পেয়েছে সেখানে রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে। বর্ষা মৌসুমের পরে পুরোপুরি কাজ চলবে। ২০২৬ এর জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে। মামলার জটিলাতা না থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সমাপ্ত হবে বলে দাবী করেছেন সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাবিল আহম্দে।
সড়ক পরিদর্শণ শেষে জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম বলেন, সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখলাম। শরীয়তপুর বাসীর দাবী পদ্মা সেতু পর্যন্ত সড়কের কাজ শেষ করা। জমি অধিগ্রহণ বিষয়ে কোন জটিলতা নাই। ক্ষতিপূরনের টাকাও দিয়ে দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল জটিলতা সমাধান করা হবে। সড়ক বিভাগ ২০২৬ এর জুনের মধ্যে সড়কের কাজ শেষ করার আশ^াস দিয়েছে। যথা সময়ে কাজ শেষ হলে শরীয়তপুর বাসীর সমস্যা সমাধান হবে।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরদার একেএম নাসির উদ্দিন কালু বলেন, ৭ বছর পূর্বেই এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। তখন অন্য একটি সরকার ক্ষমতায় ছিল। তখন আমরা কথা বলতে পারিনি। ৫ আগস্টের পরে আমরা একটু কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। আমরা অনুরোধ কওে জেলা প্রশাসক মহোদয়কে সড়কে নিয়ে এসেছি। আমরা তার পাশে থাকব। বিগত ১৫ বছরে যা হয়নি আগামী ১ বছরে তা হবে ইনশাল্লাহ।
এসময় সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাবিল আহমেদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ফরিদপুর অঞ্চলের সূরা সদস্য মাওলানা খলিলুর রহমান, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. সিরাজুল হক মোল্যা, জেলা বিএনপির সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মজিবর রহমান, নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাবেরী রায় প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card


৩১ আগস্ট ২০২৬

রাজনগরে হাজী আব্দুল মালেক মাস্টারের সপ্তম মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন

www.hongkar.com |
dailyhongkar