গোসাইরহাট উপজেলার কুচাইপট্রি ইউনিয়নে আব্দুল হানিফ ঢালী হত্যাকান্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন শরীয়তপুর পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম। এসময় পুলিশ সুপার নিহত হানিফের বাবা-মা কে ডেকে নিয়ে তাদের সমবেদনা জানান। তবে মাদক সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে বলে জানায় পুলিশ।
সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুর দেড়টায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোসাইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাকসুদ আলম এবং নিহত হানিফের স্বজনরা সহ এলাকাবাসী।
এ সময় নিহতের স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আটককৃত কাজলের আরো দুই বন্ধুকে না ধরায় তারা আশাহত, শঙ্কিত ও নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন।
এসময় পুলিশ সুপার বলেন, কাজলের জবানবন্ধীতে এ পর্যন্ত চারজন আসামিকে তাদের তথ্য ও সহযোগিতায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। কতিপয় মাদকাশক্ত যুবক মাদকের বেচা কেনা বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে গন্ডগোলে এই হত্যাকান্ড ঘটায়। তবে পুলিশ সুপার অচিরেই বাকি আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস প্রদান করেন।
এসময় পুলিশ সুপার জানান, হত্যার মূল রহস্য উদঘাটনসহ ঘটনার সাথে জড়িত বাকীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতারের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ জুলাই কুচাইপট্রি ইউনিয়নের চরমাইজারী গ্রামের হানিফ ঢালী (২৩) কে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেয় কাজল সহ একদল দুর্বৃত্তরা। পরে ১৫ জুলাই ঐ গ্রামের কবির মাষ্টারের পুকুর থেকে হানিফের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপরে নিহত হানিফের বাবা গোসাইরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।