আজ , , ,

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত জালাল উদ্দিনের লাশ উত্তোলন

মৃত্যুর ৫ মাস ২৭ দিন পরে ঢাকার মুগদা থানার মানিকনগর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত জালাল উদ্দিনের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ হোসেন এর নেতৃত্বে সখিপুর থানা পুলিশের সহায়তায় কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়।
নিহত জালাল উদ্দিন (৩৮) শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার আনু সরকার কান্দির গ্রামের বাসিন্দা মৃত মহসীন উদ্দিন রাড়ীর ছেলে। সে ঢাকার মানিকনগরে ব্যবসা করতেন।
২০২৪ সালের ২০ জুলাই ঢাকার মুগদা থানার মানিকনগর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জালাল উদ্দিন নিহত হয়। এর পরে ঐ বছরের ২০ নভেম্বও মৃত জালাল উদ্দিনের স্ত্রী বাদী হয়ে থানায় মামলা করে। সেই পরিপেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সখিপুর আানন্দ বাজারস্থ গণকবরস্থান থেকে ময়না তদন্তের জন্য লাশ উত্তোলন করা হয়।
মানিকনগর মুগদা থানা এলাকায় স্থানীয় ছাত্ররা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক ন্যায় বিচারের দাবিতে আন্দোলনে অংশ নেয়। পরে আন্দোলন সহিংস রূপ নেয় এবং সংঘর্ষের এক পর্যায়ে জালাল উদ্দিনের মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান।
নিহত জালাল উদ্দিনের পরিবার দাবি করে, এটি কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা ছিল না, বরং এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এ বিষয়ে মুগদা থানায় ২০ নভেম্বর একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন মৃত জালাল উদ্দিনের স্ত্রী। ঘটনার পরপরই পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানায়।
লাশ উত্তোলনের জন্য আসা দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের উপ-পরিদর্শক আব্দুল কাইউম বলেন, ময়না তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করতে আদালত নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। জালাল উদ্দিনের মৃত্যুর ঘটনায় তখন কোন ময়না তদন্ত করা হয় নাই বিধায় ময়না তদন্তের জন্য আজ কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।
সখিপুর থানার ওসি ওবায়দুল হক জানিয়েছেন, যেহেতু জালাল উদ্দিনে মৃত্যুর ঘটনার পরে কোন সুরৎ হাল বা ময়না তদন্ত করা হয়নি। তাই আদালত পুলিশকে ময়না তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বের করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই পুলিশ নতুন তথ্য উদঘাটনের জন্য এই লাশ উত্তোলন করে মর্গে পাঠিয়েছে।

Share this news as a Photo Card


০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগরের মায়ের ইন্তেকাল

www.hongkar.com |
dailyhongkar