শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত ৭ গুন রোগী ভর্তি হয়ে রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়েছে। ৭ জানুয়ারী সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ৭০ জন রোগী ভর্তি হয়। ভর্তি রোগীদের ৬০ জনের বেশি ছিল শিশু। চিকিৎসাধীন শিশুরা রোটা ভাইরাসে আক্তান্ত বলে ধারণা করছেন চিকিৎসকরা। রোগীর চাপে দিশেহারা হয়ে যাচ্ছে চিকিৎসক ও নার্স। তবে আশানুরূপ চিকিৎসাসেবা পেয়ে খুশি রোগীরা।
ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ১০টি শয্যা রয়েছে। তার বিপরীতে ৭০ জন রোগী ভর্তি হওয়ায় তাদের স্থান মিলেছে হাসপাতালের বিভিন্ন গলিতে।
ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ইনচার্জ সিনিয়র স্টাফ নার্স পলকী কনা জানায়, প্রতি মূহুর্তে রোগী আসতেছে। ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত রোগীর চিকিৎসা সেবা প্রদানে বেগ পেতে হয় তাদের।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হবিবুর রহমান জানায়, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীদের ৪-৫ জন বাদে সকলেই শিশু। এই শিশুরা সিজনাল রোটা ভাইরাস দিয়ে আক্রান্ত হয়। খাদ্য অভ্যাস পরিবর্তন করে এবং মায়ের বুকের দুধ বেশী দিয়ে শিশুদের রোটা ভাইরাস থেকে নিরাপদে রাখা যায়। এর পরেও যদি শিশুরা আক্রান্ত হয় তাহলে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।