শরীয়তপুর গোসাইরহাটে জেঁকে বসেছে শীত। শীত নিবারণের জন্য রাতের আঁধারে পথে ঘুরে ঘুরে ছিন্নমূল দরিদ্র মানুষদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহমেদ সাব্বির সাজ্জাদ।
মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়নের ঠান্ডার বাজার মাছের আড়ৎ এর জেলেদের মাঝে ও কোদালপুর লঞ্চঘাট এছাড়াও পৌরসভার বাসস্ট্যান্ড ও খেয়াঘাট এলাকায় পথেঘাটে প্রায় অর্ধ শতাধিক শীতবস্ত্র (কম্বল) সুবিধাবঞ্চিত অসহায় ব্যক্তিদের গায়ে জড়িয়ে দেন তিনি। এছাড়াও উপজেলা ৮ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা কর্তৃক আরো ৪৫০ পিচ শীতবস্ত্র (কম্বল) পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কনকনে শীতে চরম বিপাকে পড়ছেন গোসাইরহাট উপজেলার অসহায়, গরীব-দুঃখী শীতার্ত মানুষ। গরীব-দুঃখী শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গভীর রাতে ঘুরে ঘুরে শীতার্ত মানুষের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
কনকনে শীতের মধ্যে হঠাৎ যখন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ সাব্বির সাব্বির সাজ্জাদ এর হাতে শীতবস্ত্র (কম্বল) দেখে ছিন্নমূল দুঃস্থ, অসহায় মানুষেরা আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।
ঠান্ডার বাজারের জেলেরা ও মহিষকান্দি খেয়াঘাটের মাঝিসহ ভোক্তভুগী অনেকে বলেন, কয়েকদিন ধরে শীত পড়ছে। আমি রাতে পিঠা বেচি। আগুনের কাছে থাকলেও শীত কমে না। অনেক শীত করে। কম্বল পেয়ে আমার খুব ভালো লাগছে।
গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ সাব্বির সাজ্জাদ বলেন, শীতে ছিন্নমূল ও দরিদ্র মানুষদের অনেক কষ্ট হয়। তাদের অনেকের শীতবস্ত্র কেনার সামর্থ্য নেই। এই শীতে কোনো অসহায় পরিবার যেন কষ্ট না পায়, সেজন্য তাদের পাশে শীতবস্ত্র (কম্বল) নিয়ে দাঁড়িয়েছি। প্রকৃত ছিন্নমূল ও দরিদ্রদের মাঝে বিতরণের লক্ষ্যে রাতের অন্ধকারে বের হয়েছিলাম। শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে।
এ সময় গোসাইরহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইকবাল কবীর ও সহকারী প্রোগ্রামার আইসিটি বিভাগের মাঈনুল ইসলামসহ কর্মচারীরাসহ গোসাইরহাট প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।