বৈষম্য বিরোদী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে বিক্ষোভ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) কারাদণ্ড প্রাপ্ত ৫৭ জন বাংলাদেশির মধ্যে চট্রগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার ২ জন।
আরব আমিরাতের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া বাংলাদেশের ৫৭ জন প্রবাসী সংগ্রামীরা কে কেমন আছেন? দেশটির আদালত ইতোমধ্যেই আদেশ জারি করে ৫৭ জন কে আউট পাশ দিয়ে দেশে ফেরত পাটিয়েছে। কিন্তু তারা ঐ দেশে বৈধভাবে অবস্থান করে জীবন জীবীকা নির্বাহ করতো। দেশে তাদের পরিবার পরিজন তাদের রোজগারে খেয়ে পরে ছিলেন। কিন্তু তারা সব কিছু ভুলে দেশেমাতৃকার প্রয়োজনে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে অংশ গ্রহণ করে। আন্দোলন করতে গিয়ে তাদের সইতে হয়েছে সীমাহীন নির্যাতন। এ সংগ্রামের ২ বিপ্লবী চট্রগ্রাম জেলার সাতকানিয়ার সন্তান মোহাম্মদ ইমন ও রাশেদুল ইসলাম।
সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া গ্রামের মক্কারো বাড়ির আব্দুছ ছবুর ও তসলিমা বেগম এর সন্তান মোহাম্মদ ইমন বলেন, ৪ বছর পুর্বে বাড়ির বড় ছেলে হিসাবে জমি বিক্রি করে মা-বাবা ছোট ভাই বোনের মুখে দুবেলা দুমুঠো ভাত তুলে দেওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে পাড়ি দিয়ে ছিলাম দুর প্রবাসে। সব টিক টাকই চলছিলো। দেশ আমাকে আমার বিবেকে প্রশ্ন করে বিদেশে আছিস দেশের মা মাটি আর মানুষে জন্য তোদের কি? কিছুই করার নাই। তাইতো বিবেকের তাড়নায় দেশের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন বিবেকের তাড়নায় বিদেশ থেকে যোগ দিয়েছিলাম মিছিলে এতে কখন কি হয়ে গেলো বুঝতেই পারিনি। বিদেশে গ্রেফতার ও কারা নির্যাতন নির্যাতনের চিহ্ন সইতে হয়েছে । অনেক নিপিরনের পরে সকল কাগজ পত্র বৈধ থাকার পরও আমাদের আউট পাশ দিয়ে দেশে পাঠানো হলো! আমরা দুবাই রাষ্ট্রদূতের থেকে কোন ধরনের সহযোগিতা পাইনি। সর্বশান্ত হয়ে এখন দেশে এসে খেয়ে না খেয়ে সীমাহীন কষ্টে দিনাতিপাত।
তাই ছাত্র জনতার সরকারের কাছে আবেদন আমাদের একটি কর্ম সং¯’ানের ব্যব¯’া করে দেয়। আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে বাঁচতে দিন।
একই উপজেলার ধর্মপুর গ্রামেরআহমদর রহমান ও নাছিমা আক্তার এর সন্তান রাশেদুল ইসলাম। তিনি বলেন একই পরি¯ি’তির শিকার আমিও, এখন সরকার যদি আমাদের জন্য কোন কর্ম সং¯’ানের ব্যব¯’া না করে আমরা সচিবালয়ের সামনে কাঁফনের কাপড় নিয়ে উপ¯ি’ত হবো কারণ আমাদের সব কিছু আন্দোলনে শরিক হতে গিয়ে হারিয়েছি। আমরা সরকারের নিকট আমাদের কর্মসং¯’ানে সুযোগ চাই। তার পরে আমরা কৃতজ্ঞ কারণ অন্তবর্তী কালিন সরকারে প্রধান উদেষ্টা ডঃ মুহাম্মদ মুক্ত করে এনেছেন। তার আহবানে সারা দিয়ে ওই ৫৭ জন বাংলাদেশি সবাইকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহামেদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।