শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদে জরুরী সেবা ছাড়া সকল প্রকার চিকিৎসা সেবা বন্ধ ঘোষণা করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শনিবার সকালে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হয় শারমিন আক্তার নামে এক নারী রোগী। প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার জন্য দায়িত্বরত নার্সের কাছে চিকিৎসার ফাইল দাবী করে রোগীর স্বজনদের একজন। নার্স ফাইল দিতে রাজি না হওয়ায় স্বজন ও নার্সদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। পরবর্তীতে বেলা সাড়ে ১১টার সময় রোগীর স্বজনরা হাসপাতালে এসে স্টাফদের উপর হামলা চালায়। সেই থেকে হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
ঘটনা পরবর্তী পুলিশ ও সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছে। এই বিষয়ে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
হামলার ঘটনার পরে জরুরী সভা ডাকা হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত জরুরী সেবা ব্যতিত সকল প্রকার সেবা বন্ধ থাকবে। এরপর থেকে বিপাকে পড়েছে ভর্তি রোগী ও ভর্তি হতে আসা রোগীরা। জীবন বাঁচাতে তারা ছুটছেন অন্যত্র।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ইকবাল হোসেন বলেন. আমরা ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের জনবল দিয়ে আজও ৩২৪ জন ভর্তি রোগীদের সেবা প্রদান করেছি। সেবা দিতে গিয়ে যদি হামলার শিকার হতে হয় তাহলে আমরা সেবা দিব কি ভাবে। আজকের হামলার প্রতিবাদে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি যে, হামলাকারীদের আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত হাসপাতালের জরুরী সেবা ব্যতিত সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে।
এই সময় তত্ত্বাবধায়ক ডা. হাবিবুর রহমান সহ সকল চিকিৎসক ও স্টাফরা উপস্থিত ছিলেন।