শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও পালিয়ে যাওয়ার সংবাদে শরীয়তপুরে আনন্দ মিছিল করা হয়। মিছিলে অংশগ্রহণ করে ছাত্র শিক্ষক সহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষ। মিছিল থেকে পৌরসভার ধানুকা এলাকায় সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফার বানিজ্যিক ভবনে ভাংচুর করা হয়। তখন একটি মাদরাসা ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিস ভাংচুরের কবলে পড়ে। তখন ভাংচুরকারীরা জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিস থেকে দুইটি লেপটপ, একটি কম্পিউটার, একটি ফ্রিজ, একটি টেলিভিশন ও কয়েকটি চেয়ার নিয়ে যায়। এসময় জরুরী ফাইলপত্র নষ্ট করা হয়। ভাংচুরকারীরা ভবনে অবস্থানকারীদের দ্রুত বেরিয়ে যেতে নির্দেশ দেয়।
জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মাসুদ মামুন জানায়, আওয়ামীলীগ নেতার ভবনে তাদের অফিস ছিল। সেই নেতার উপর বৈষম্যবিরোধী কোটা আন্দোলনকারীদের ক্ষোভ ছিল। ক্ষোভ থেকেই ভবনে ভাংচুর হয়। তাদের মূল্যবান কিছু ফাইলপত্র ক্ষতি ও আসবাবপত্র লুট হয়েছে।