শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের মধ্য সোনামুখী কৃষি নির্ভর এলাকা। সেই এলাকার ৬০০ বিঘা জমি জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে দখলদারদের কারণে। তারা খাল ভড়াট করে পানি নিস্কাসন ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। প্রায় ১০ বছর ধরে এই সমস্যাটির কোন সমাধান পায়নি ভুক্তভোগী কৃষক। অবশেষে সদর উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তার স্থায়ী সমাধান হয়েছে। জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেয়েছে কৃষি জমি আর হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ইউনিয়নের মধ্য সোনামুখি এলাকার বাইতুল আমান সাতঘর জামে মসজিদ কমিটি ও পার্শ্ববর্তী হোসেন আকন ও কাশেম আকন ঘোলের চকের সাথে সংযোগ খালটি ভড়াট করে স্রোতধারা বন্ধ করে দেয়। বিষয়টি নজরে নিয়ে দীর্ঘদিন পরে হলেও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে খালটি দখলমুক্ত হয়েছে।
স্থানীয় আব্দুল খালেক হাওলাদার ও আব্দুস সাত্তার আকন জানায়, সেখানে একটি খাল ছিল। একটি কালভার্টের মাধ্যমে ঘোলের চকের পানি নিস্কাসন হত। সেই খালটিতে পুনরায় স্রোতধারা ফিরে এসেছে। এতে ফসলি জমি উর্বর হবে এবং ফসল উৎপাদন বাড়বে।
শরীয়তপর সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি নাফিস এলাহী বলেন, কৃষকদের দাবী ছিল খালটি দখলমুক্ত করা। তদন্তে দেখা গেছে সেখানে খাল ছিল। একটি কালভার্টের মাধ্যমে পানির প্রবাহ সচল ছিল। সেই খালটি বন্ধ করে দেয়ায় প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফসলি জমির উর্বরতা বিনষ্ট হয়। তাই জনস্বার্থে সেই খাল দখলমুক্ত করে পানি প্রবাহ পুনরায় সচল করা হয়েছে।