শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বিকল্প কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (১ জুন) দুপুরে ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় বিকল্প কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে এসব বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে।
এর পূর্বে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলেদের সাথে মতবিনিময় করা হয়। ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাজিবুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ওয়াছেল কবির গুলফাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিনিয়ার উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাঃ আতিকুর রহমান মিয়া, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার তানবীন হাসান শুভ, ভেদরগঞ্জ উপজেলা সহকারি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুস সাত্তার, উপজেলা সমবায় অফিসার মোফাজ্জল হোসেন সহ মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ ও সুধীজন।
এ সময় উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের ভেদরগঞ্জ উপজেলা পদ্মা-মেঘনা অববাহিকায় ২০ কিলোমিটার নদী। উপজেলার ১৯ হাজার নিবন্ধনকৃত জাটকা জেলে রয়েছে। সরকার ইলিশ সম্পদ রক্ষা ও উন্নয়নে জেলেদের বিভিন্ন ভাবে সহায়তা করছে। তার অংশ হিসেবে প্রজনন ও জাটকা মৌসুমে জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য এ গাভী বাচ্চা দেয়া হলো।
সভপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাজিবুল ইসলাম বলেন, ইলিশ মাছ আমাদের জিআই পণ্য, আমাদের লোভ ও অসচেতনতার কারণে আমাদের এই জাতীয় সম্পদে বৃদ্ধি ও উৎপাদন কমে যাচ্ছে।
ইলিশ সম্পদ ও মাছ রক্ষায় সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে আজ আমরা এ বকনা বাছুর বিতরণ করলাম। আপনারা ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকবো। ভালো থাকবে দেশ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ওয়াছেল কবির গুলফাম বলেন, জাতির জনকের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এই উন্নয়ন অভিযাত্রায় সবাইকে সমান সুযোগ দিতে কাজ করছেন তিনি। তারই নির্দেশনা মতো আমরা আজ আপনাদের গরুর বাছুর গুলো তুলে দিলাম। এ নিয়ে আমাদের উপজেলার প্রায় পাঁচশতাধিক জেলের বিকল্প কর্মসংস্থান করা হয়েছে। সরকার আপনাদের জন্য কাজ করছে, আপনারাও ইলিশ সম্পদ রক্ষা করে দেশের উন্নয়নের কাজ করুন।