শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলায় ফিড দ্যা ফিউচার বাংলাদেশ ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার এক্টিভিটি (সিএসএ) এর ব্রি-ধান-২৯ ও ব্রি-ধান-১০২ জাতের বোরো ধানের প্রদর্শনী, শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ মে) উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নের লাকার্তা গ্রামে ভেদরগঞ্জ-শরীয়তপুর সড়কের পাশে আইএফডিসি’র আয়োজনে ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এ শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাঠ দিবসের উদ্বোধন করেন সিএসএ কার্যক্রম বাংলাদেশের মনিটরিং এন্ড ইভালুয়েশ প্রধান বিলাশ মিত্র। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রকল্পের আইটি অফিসার মীর হোসেন খন্দকার, মনিটরিং অফিসার নাহিদ ইসলাম ও ভেদরগঞ্জ কৃষি অফিসের উপসহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আবু হানিফ, উপসহকারী কৃষি অফিসার মামুনুর রশিদ হাসিব ও বাংলাদেশ ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার এক্টিভিটি (সিএসএ) এর মোঃ নাজমুর হক।
প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও পুষ্টি সমৃদ্ধ ব্রি-ধান ১০২ জাতের নতুন ধান খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষিতে বিপ্লব ঘটিয়েছে। এরই মধ্যে ধানটির পরীক্ষামূলক চাষে মিলেছে সাফল্য। প্রতি শতাংশে এই জাতের ধান প্রায় ১ মন ফলন দিয়েছে। ব্রি-ধান-১০২ চাষে কৃষকের গোলা ভরে যাবে। নতুন জাতের এই ধান দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। সেই সাথে জাগিয়েছে নতুন সম্ভাবনা।
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৃজন চন্দ্র দাস বলেন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত একটি ক্লাইমেট স্মার্ট জাত ব্রি ধান১০২। বোরো মৌসুমের এই ধানটি জিংক সমৃদ্ধ। কারণ মাছে-ভাতে বাঙ্গালীর ধানেই সমৃদ্ধি। এই সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে ব্রি-ধান ১০২। এটি আমাদের প্রত্যাশা।