আজ , , ,

স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণে কিশোর-কিশোরীদেরও স্মার্ট করে গড়ে তুলতে হবে: ইউএনও ভেদরগঞ্জ

ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাজিবুল ইসলাম বলেছেন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি হচ্ছে একটি জাতির মুখোছবি। যেমন ফুটবলে প্রথমে পেলে ম্যারাডোনা, মেসি চিনে, তার পরে ব্রাজিল আর্জেন্টিনাকে চিনে। সংগীতে কিশোর কুমার, ভুপেন হাজারিকাকে ভারতীয় বা ভারতকে চিনে। সাবিনা ইয়সমিন, রুনা লায়লাকে বাংলাদেশী হিসেবে চিনে। আমাদের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আজকের কিশোর কিশোরীদের স্মাট নাগরীক হিসেবে গড়ার জন্য ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও স্মার্ট করতে হবে। সে লক্ষে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কিশোর-কিশোরী ক্লাব বিশেষ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
তিনি মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ভেদরগঞ্জ উপজেলার কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সদস্যদের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কহিনুর আক্তার, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ফিল্ড সুপার ভাইজার।
প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরো বলেন, স্বাধীনতার পরপরই দেশের তরুণপ্রজন্মের বিকশিত ভবিষ্যতের জন্য খেলাধুলা প্রসারে উদ্যোগ নেয় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের অংশ হিসেবেই ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশের তারকা ফুটবলারদের নিয়ে প্রথম খেলার আয়োজন করেন বঙ্গবন্ধু।
মে মাসে ভারতের অন্যতম সেরা দল মোহনবাগানকে নিয়ে আসা হয় মোহামেডানের বিরুদ্ধে খেলার জন্য। দেশের ফুটবলকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত করাতে, ১৯৭৩ সালে রাশিয়ার মিন্স্ক ডায়নামো ক্লাবকে ঢাকায় নিয়ে আসেন বঙ্গবন্ধু। এমনকি বঙ্গবন্ধুর উৎসাহ ও আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগের কারণেই ১৯৭৫ সালে মালয়েশিয়ার মারদেকা ফুটবল টুর্ণামেন্টে খেলার ব্যবস্থা হয় বাংলাদেশ ফুটবল দলের।
সেই ধারাবাহিকতাতেই, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পরপরই আবারো দেশের ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিকাশে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ ফুটবল দল দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়। এমনকি ক্রিকেটের উন্নতির জন্য ঢেলে সাজানো হয় ক্রিকেট বোর্ড এবং ভালো কোচ এনে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয় খেলোয়ারদের। ফলে ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জিতে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল, লাভ করে ওডিআই স্ট্যাটাস। এর পরেই ১৯৯৮ সালে ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম জয় এবং ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয় ক্রিকেট দল।
এছাড়াও ২০০০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের টেবিল ডিপলোম্যাসির কারণে টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল, ফলে আইসিসির সব সুযোগসুবিধা যোগ্য দাবিদার হয়ে ওঠে বাংলাদেশ।

Share this news as a Photo Card


১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডামুড্যায় নকল ঔষধ প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

www.hongkar.com |
dailyhongkar