ইংরেজী নতুন বছরের প্রথম দিনে ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৪৪৮ বই পেয়েছে শরীয়তপুরের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা। নতুন বই হাতে দিয়েই শিক্ষকদের দায়িত্ব শেষ হবার নয় বলে শতর্ক করে দিয়েছেন বই বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধক জেলা প্রশাসক।
জেলা মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ইংরেজী নববর্ষ ২০২৪ সালের প্রথম দিনে ১ লাখ ২৭ হাজার শিক্ষার্থীর হাতে ১৭ লাখ ৯০ হাজার নতুন বই তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৫৫ জন শিক্ষার্থী ৬ লাখ ৪২ হাজার ৪৪৮ টি বই পেয়েছে।
সকাল ১০ টায় জেলা শহরে পালং তুলাসার গুরুদাস সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও তুলাসার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে বই বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন আহাম্মেদ। অপর দিকে ১০:৩০ মিনিটে শরীয়তপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শামসুন নাহার।
বই বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক গাজী শরিফুল হাসান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাইন উদ্দীন, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শ্যামল চন্দ্র শর্মা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: নুরুল হাসান, পালং তুলাসার গুরুদাস সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরে আলম, শরীতপুর বালিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম, তুলাসার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এমদাদুল হক প্রমূখ।
বই বিতরণ অনুষ্ঠান থেকে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন আহাম্মেদ বলেন, আমাদের সন্তানদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে ক্লাশরুমে পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে। উৎসব করে নতুন বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিলেই দায়িত্ব শেষ হবে না। শিক্ষক ও অভিভাবকদের দায়িত্ববান হতে হবে। শিক্ষাকে পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার প্রতিযোগিতায় পরিনত না করে সন্তানদের বুঝতে শেখাতে হবে। প্রশ্ন করতে শেখালে যেমন এটা কেন হয়? কেমন করে হয়? শিশুদের উপর পড়ার বোঝা চাপিয়ে না দিয়ে শৈশব উপভোগ করতে শেখান। তাহলেই একজন শিশুর সার্বিক বিকাশ হবে।