শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়নের প্রিয়কাঠি একটি কৃষি নির্ভর গ্রাম। এই গ্রামের ফসলি জমিতে বছরে একটির বেশী ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয় না। সেই এক ফসলি কৃষি ব্যবস্থায় পরিবর্তণ আনতে কৃষকদের মাঝে পাওয়ার ট্রিলার এবং সেচপাম্প বিনামূল্যে বিতরণ করেছেন সমাজ সেবক ও সাবেক মেম্বার আমিনুল হক পতি কাজী। এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করেছেন এলাকাবাসী।
২৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় প্রিয়কাঠি এলাকার কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করেন ডামুড্যা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর মাঝি। এ সময় উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, অবসর প্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ইব্রাহীম সরদার প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্যোক্তা আমিনুল হক (পতি কাজি) জানায়, কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সমবায় ভিত্তিক কৃষি খামার তৈরীর মাধ্যমে অনাবাদি জমি আবাদের মাধ্যমে কৃষি বিপ্লবের সূচনা করতে চেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে কৃষকদের মাঝে পাওয়ার ট্রিলার, সেচপাম্প ও কৃষি উপকরণ বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এতে কৃষি পণ্যে উৎপাদন খরচ অনেকটা কমবে।
উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন পতি কাজীর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, প্রতি পাড়া মহল্লায় এমন কৃষি বান্ধব দানশীল ব্যক্তির প্রয়োজন। তাহলে কৃষিতে অভাবনীয় বিপ্লব ঘটবে। কৃষি অফিসের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
ডামুড্যা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলমগীর মাঝি কৃষি উপকরণ বিতরণ শেষে বলেন, ১৯৭৪ এর পরে দেশে খাদ্য সংকট তৈরী হয়। তখন বঙ্গবন্ধু সমস্ত কৃষি জমি সমবায়ের ভিত্তিতে চাষাবাদের আওতায় আনার জন্য কৃষকদের আহবান জানান। পতি কাজীর এই উদ্যোগ বঙ্গবন্ধুর সেই চিন্তা চেতনার কথা মনে করিয়ে দেয়। মনে হয় বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন পতি কাজীর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। আমি উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পতি কাজীর উদ্যোগকে সহায়তা করব।