নৌ-পুলিশ কর্তৃক উদ্ধার হওয়া লাশের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ঘড়িসার ইউনিয়নে সুরেশ্বর নৌ-পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ মোঃ হযরত আলী মিলন এমনটি জানান।
পুলিশ সূত্রে জানাযায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর শরীয়তপুর নড়িয়া থানাধীন মূলফৎগঞ্জ পাঁচগাও গ্রামের উত্তর পাশে পদ্মা নদীতে অজ্ঞতানামা পুরুষ এর লাশ উদ্ধার করে সুরেশ্বর নৌ-পুলিশ। তার আনুমানিক বয়স (৫০)। লাশটির কোন পরিচয় প্রাথমিক ভাবে না পাওয়ার কারণে, পিবিআই ও সিআইডি টিম চেষ্টা চালায় পরিচয় উদঘাটনে। শত প্রচেষ্টায়ও পরিচয় মেলেনি লাশের। কারণ পানিতে বেশিদিন থাকার কারণে লাশটি গলে যায়। পরে সুরেশ্বর নৌ-পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। লাশের গায়ে সাদা পাঞ্জাবি, পরণে সাদা লুঙ্গি ছিল। এ বিষয়ে নড়িয়া থানায় ২৭ সেপ্টেম্বর একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়, যার নাম্বার-১৯।
ময়না তদন্ত শেষে ডাক্তারদের পিএম রিপোর্ট মতে অজ্ঞাত নামা লাশটির আঘাত জনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে মর্মে মতামত প্রদান করিলে সুরেস্বর নৌ-পুলিশ ফাড়ির এসআই হাবিবুর রহমান বাদি হয়ে ১০ নভেম্বর নড়িয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। যার নং-০৮।
এ বিষয় নড়িয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, এক অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে নড়িয়া একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয় এবং পরবর্তীতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওযার পর মালাটি হত্যা মামলায় রুজু করা হয়।