সদর উপজেলার চিকন্দী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ফারুক মাদবরের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সাবেক মেম্বার আনছার মাদবর লোকজন নিয়ে শনিবার রাত ৯টার দিকে এই হামলা চালায়। হামলায় ৫টি ঘর ভাংচুর করা হয়েছে। বাধা দেওয়ায় অন্তত ১০ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার ও আহতরা জানায়, নির্বাচনী শত্রুতা উদ্ধারের জন্য এই পরিকল্পিত হামলা করেছে। শনিবার রাত ৯টার সময় দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ৩০-৪০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল আমাদের বাড়িতে এসে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার নেতৃত্বে ছিল সাবেক মেম্বার আনছার মাদবর। তারা আমাদের বাড়িতে ঢুকে বাড়ি ঘর ভাংচুর করে। পরে ঘরে প্রবেশ করে লুটপাট করে। বাধা দেওয়ায় শৌলা গ্রামের মাসুদ মাদবর, মামুন মাদবর, মাকসুদা, মিতু আক্তার, নাজমা, ফারুক মাদবর (মেম্বার), সিরাজ মৃধা ও সাগরকে গুরুতর আহত করে। এই সময় কয়েকটি ছাগলও কুপিয়ে আহত করা হয়। এই বিষয়ে পালং থানাকে অবগত করা হয়েছে।
সাবেক মেম্বার আনছার মাদবরকে এলাকায় গিয়ে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে সে জানায় আমি দূরে আছি। শরীয়তপুর এসে আপনাদের সাথে কথা বলব। তারপর থেকে মোবাইল বন্ধ রেখেছেন।
এই বিষয়ে পালং মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, চিকন্দীতে হামলার বিষয়ে উভয় পক্ষে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।