ভেদরগঞ্জের সিংজালা মৌজায় রেকর্ডীয় জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী আব্বাস বেপারীগংদের বিরুদ্ধে। তাহের হাওলাদার নামে এক ভুক্তভোগী এমন অভিযোগ করেছেন। ডিক্রীমূলে জমির মালিকানা দাবী করেছেন দখলদাররা। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
জমির পর্চা ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, আব্দুল মজিদ হাওলাদার, তার স্ত্রী নুরজাহান বেগম, প্রতিবেশী সিকিমারী বেপারী ও আনোয়ার খা হিন্দুদের ফেলে যাওয়া জমি দখল করে ভোগ দখল করতে থাকেন। এক পর্যায়ে তারা আদালতের মাধ্যমে সেই জমি নিজেদের নামে ডিক্রী করিয়ে মালিকানা অর্জণ করেন। ইতোমধ্যে বিআরএস রেকর্ড সমাগত হলে এককভাবে সেই সম্পত্তি আব্দুল মজিদ হাওলাদার ও তার স্ত্রী নুরজাহান বেগমের নামে রেকর্ড হয়। সিকিমালী বেপারীর অংশ বিআরএস রেকর্ডভুক্ত না হওয়ায় আদালতে মামলা করেন তার ওয়ারিশ মোস্তফা ও আব্বাস বেপারী। পর্চায় নাম না থাকায় ও বিদায়ী সরকারের বিপক্ষে রাজনীতি করায় সেই জমির ভোগ দখলেও আসতে পারেনি আব্বাস বেপারীরা। সরকার পতনের পরে সেই জমি দখলে নিয়ে স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেছে আব্বাস বেপারীগংরা।
বিআরএস রেকর্ডীয় মালিক আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে তাহের হাওলাদার ও মেয়ে সালমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ৪০ বছর পূর্বে জমির বিআরএস রেকর্ড পেয়েছেন। এর পূর্বেও তারাই জমির ভোগ দখলে ছিলেন। পুকুরে প্রায় ৮ লাখ টাকার মাছও রয়েছে। কিছুদিন থেকে তাদের বেদখল করে ঘর নির্মাণ করতেছেন আব্বাস বেপারীরা। বেহাত হওয়া সম্পতি ফিরে পেতে তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
ডিক্রীদার সিকিমারী বেপারীর ওয়ারিশ মোস্তফা বেপারী ও আব্বাস বেপারী জানায়, তার পিতা ডিক্রীদার হিসেবে দুই আনা সম্পতির মালিক যাহা ৭০ শতাংশ জমি হবে। দীর্ঘদিন তারা সেই সম্পত্তি ভোগ দখল করতে পারেনি। স্থানীয় শালিশে তাদের বিষয়টি মীমাংসা করা হলেও তাহের হাওলাদার তা উপেক্ষা করে আমাদের জমি থেকে বিতারিত করেছে। এখন তারা তাদের অধিকার ফিরে পেতে জমিতে ঘর নির্মাণ করছেন।