আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে গিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায় আসামী। পালিয়ে যাওয়ার পরবর্তী ৮ ঘন্টার মধ্যে আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। ২৭ এপ্রিল শনিবার বিকাল ৪টার দিকে শরীয়তপুর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্্েরট আদালতে এই ঘটনা ঘটে। প্রেস ব্রিফিংয়ে এমন তথ্য জানিয়েছেন শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার মো: মাহবুবুল আলম পিপিএম।
প্রেস ব্রিফিং থেকে জানাগেছে, গত ২৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার ডোমসার থেকে একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গত ২৪ এপ্রিল বুধবার রাতে নড়িয়া উপজেলার জপসা ইউনিয়নের মাইজপাড়ার মৃত আমিন উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ আলী নিখোঁজ হয়। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে নিহতের স্ত্রী মুন্নি বেগম ও তার পরকিয়া প্রেমিক বাবু ফকিরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শনিবার তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণের জন্য প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হয়। সেখান থেকে আসামী বাবু ফকির পালিয়ে যায়। পুলিশ ২২টি টিম গঠন করে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। পালিয়ে যাওয়ার ৮ ঘন্টার মধ্যে আসামীকে ঢাকা থেকে পুনরায় গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সুপার মো: মাহবুবুল আলম বলেন, নিহতের স্ত্রী মুন্নি বেগম যাখন ম্যাজিস্ট্রেট এর কাছে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত মর্মে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিচ্ছিলেন তখন আসামী বাবু ফকির ওয়াশরুমে যাওয়ার অজুহাতে পালিয়ে যায়। পুলিশ তখন আসামীকে ধাওয়া করে। কিন্তু ধরতে পারেনি। পরবর্তীতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে আসামীকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। আসামীর বিরুদ্ধে আলাদা একটি মামলা হয়েছে।