অসংখ্য অভিযোগের ভিত্তিতে শরীয়তপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে ১৬ এপ্রিল বুধবার দুপুরে অভিযান পরিচালনা করেছে সমন্বিত শরীয়তপুর-মাদারীপুর জেলা দুর্নীতি দমন কার্যালয় (দুদক)। সহকারি পরিচালক আক্তারুজ্জামানের নেতৃত্বে পরিচালিত টিম সাব-রোজস্টার কার্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম খুজে বের করে তালিকা ভুক্ত করে। অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিশনে সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছে এই টিম।
দুদক সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শরীয়তপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে দলিল সম্পাদন ও দলিলের নকল সরবরারে সরকার নির্ধারিত ফিসের চাইতে বহুগুন বেশি ফিস নেওয়া, দলিলের নকলে দাতা-গ্রহীতার নাম পরিবর্তণসহ জমির শ্রেণি পরিবর্তন করার অভিযোগ ছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দুদকের সহকারি পরিচালক আক্তারুজ্জামান জানায়, শরীয়তপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট বেশ কিছু অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে অবৈধ অর্থ আদায়, জমির শ্রেণি পরিবর্তণ করে দলিল রেজিস্ট্রি করা, নকল নবিশরা সম্পৃক্ত থেকে টাকার বিনিময়ে দলিলের দাতা-গ্রহীতার নাম পরিবর্তণ করা। এই চর্চা শুধু শরীয়তপুরের জন্য নয় সারা দেশের জন্য ভয়াবহ ম্যাসেজ। এই ভাবে চলতে থাকলে রাষ্ট্রের বড় ক্ষতি হবে। দুদক মনে করে এই অপরাধ দমনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। ব্যবস্থা গ্রহণে আমরাও কমিশনে সুপারিশ করব।
শরীয়তপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রার মো. ওমর ফারুক বলেন, আমি গত জানুয়ারীতে এই অফিসে যোগদান করেছি। দুদক যে সকল অভিযোগের অনুসন্ধান করছে তা অনেক পূর্বের অভিযোগ। দুদক যেসকল দলিল বা নথিপত্র দেখতে চেয়েছে তাদের সব দেখানো হয়েছে।