তীব্র গরমে অসুস্থ্য হওয়ার ভয়ে দিনের বেলা জমিতে নামতে পারছেন না কৃষক ও কৃষাণেরা। তাই বাধ্য হয়ে রাতে ধান কাটার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন তারা। দিনের অসহ্য তাপদাহে থাকছেন ঘরে আর রাতে কাটছেন ধান। এমন দৃশ্য দেখা গেছে শরীয়তপুর সদর উপজেলার চর কাশাভোগ এলাকায়।
কৃষাণরা জানান, জেলার অধিকাংশ জমিতে বোরোধান পাকা শুরু হয়েছে। দিনের বেলা হিটস্ট্রোক ও নানা অসুস্থ্য’তার ভয়ে ধান কাটতে পারছেন না তারা। তাই রাতের বেলায় জ্যোস্নার আলোয় ধান কাটতে মাঠে নেমেছেন তারা। অতিরিক্ত গরমে কৃষাণ না পেয়ে কৃষকরাই নিজেদের জমির ধান কাটছেন। যতদিন চাঁদের আলো থাকবে, ততদিন এভাবেই ধান কাটবেন বলে জানান তারা।
চাষিরা বলেন, তীব্র দাবদাহে দিনের বেলা ধান কাটতে রাজি হচ্ছে না কৃষাণেরা। তাই নিজেরাই রাতে জ্যোস্নার আলোয় ধান কাটতে শুরু করেছেন। ভোর ৫টা পর্যন্ত তারা ধান কাটেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মোহাম্মদ রিয়াজুর রহমান বলেন, প্রচন্ড দাবদাহে আমাদের কৃষকদের দিনের বেলা ধান কাটা খুবই কষ্টকর। তাই কিছু কিছু কৃষক রাতে ধান কাটছে। সেক্ষেত্রে আমরা পরামর্শ দিচ্ছি, সরকারের পক্ষ থেকে অনেক গুলো কম্বাইন হার্ভেস্টার দেওয়া হয়েছে। এই কম্বাইন হার্ভেস্টার যদি ব্যবহার করে তাহলে অল্প সময়ের মধ্যে তারা ধান কাটতে পারবেন। গরম থেকে কৃষাণ ও কৃষক উভয়ই রক্ষা পাবে। ব্যয়ও অনেকটা কমে যাবে।