শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিনোদপুরে এলজিইডির রাস্তার পাশ থেকে গাছ কাটার প্রতিযোগিতা চলছে। গাছ কাটার সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন সরকার দলীয় নেতাসহ জনপ্রতিনিধিরাও। ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষের দীর্ঘ ছুটিতে গাছ কেটে নেওয়ায় প্রশাসনও কোন পদক্ষেপ নিতে পারেনি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সদর উপজেলা প্রশাসন।
বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষের দীর্ঘ ছুটিতে বিনোদপুর ইউনিয়নের বাছার কান্দি থেকে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাতি আব্দুল কুদ্দুস মুন্সী বৃহদাকারের একটি রেইনট্রি (রেন্ডি) গাছ কেটে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে গাছের মূল উঠিয়ে সেখানে মাটি দিয়ে ভড়াট করেছে। একই ইউনিয়নের মুন্সী কান্দি এলাকা থেকে রাতের আধারে কয়েকটি গাছ কেটে নেয়া হয়।
বিনোদপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মুন্সী জানায়, তার বাড়িতে কিছু গাছে কাঠাল ধরেছে। কড়ই গাঠটি কাঠাল গাছের খুব ক্ষতি করছিল। তাই গাঠটি কেটে তিনি স’মিলে নিয়ে গেছেন।
মুন্সী কান্দি এলাকার মেম্বার লিটন মুন্সী জানায়, শাহিন মুন্সিদের গাছ দাবী করে কেটে নিয়েছে।
বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব লিয়াকত হোসেন জানায়, গাছ কাটার বিষয়ে সে কিছু জানলে স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে মামলা করতেন।
এলজিইডি’র সদর উপজেলা প্রকৌশলী আ. সাত্তার বলেন, বিনোদপুরের রাস্তায় কোন প্রতিষ্ঠান বৃক্ষ রোপন করেছে তা চিহ্নিত করে গাছ কাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাইনউদ্দিন বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে বন বিভাগকে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। তদন্ত পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।