ছুটিতে বেড়াতে এসে গণধর্ষণে শিকার হয়েছে এক গার্মেন্টস কর্মী। ৫ মে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের দক্ষিণ চরোসুন্ধি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এই বিষয়ে পালং মডেল থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ৭ জন ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ ও ধর্ষিতার পারিবার সূত্রে জানা গেছে, চাচাতো বোনের বিয়েতে বেড়াতে এসেছিলেন ওই গার্মেন্টস কর্মী। গার্মেন্টস কর্মী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হলে সঙ্গবদ্ধ ধর্ষকদের লালসার কবলে পড়ে। ধর্ষকরা তাকে পার্শ্ববর্তী একটি পরিত্যাক্ত দালান ঘরে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষকরা হলেন জুয়েল ফরাজী, সুমন বয়াতি, ইয়াসিন বয়াতি, শাহিন সরদার, খোকন সরদার, রাসেল সরদার ও ইউপি সদস্য মিজান ঢালী।
ভিকটিমের বাবা বলেন, আমার মেয়েকে আসামী জুয়েল ফরাজীর বোন ফাতেমার দালান ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেছে। পরবর্তীতে আপত্তিকর অবস্থায় ভিডিও ধারণ করে। আমার মেয়ে সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত শরীয়তপুর সদর হাসপাতলে ভর্তি করা হয়েছে।
পালং মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ আক্তার হোসেন বলেন, ভিকটিমের পিতার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হয়েছে। ধর্ষণের সাথে জড়িত ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভিকটিমের ডাক্টারী পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছে।