শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলায় কৃষি ঋণ মেলা-২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গোসাইরহাট উপজেলা প্রশাসন ও গোসাইরহাটের সকল ব্যাংকের যৌথ সহযোগিতা এই মেলার আয়োজন করেন।
বৃহস্পতিবার (২৩-মার্চ) সকাল ১১টা থেকে উপজেলা হলরুমে কৃষি ঋণ মেলার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শাহাবুদ্দিনের সঞ্চালনায় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাফী বিন কবির এর সভাপতিত্ব এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় মেলায় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুজন দাশ গুপ্ত, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব শাহজাহান শিকদার, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক গোসাইরহাট শাখার ম্যানেজার খন্দকার নাজমুল হোসাইন, সোনালী ব্যাংক লিঃ গোসাইরহাট শাখার ম্যানেজার দেবাশীষ বিশ্বাস, রূপালী ব্যাংক লিঃ গোসাইরহাট শাখার মো. নিয়ামুল হক খান, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আঃ কুদ্দুস হাওলাদার প্রমুখ।
কৃষি ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনের মাধ্যমে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্ণ করতে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। গোসাইরহাট উপজেলায় কর্মরত ৯টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশগ্রহণ করে।
এ সময় ইউএনও বলেন, কৃষিকে সমৃদ্ধ করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন। আওয়ামী লীগ কৃষি বান্ধব সরকার। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সরকার সার, কৃষি যন্ত্রপাতিসহ কৃষিখাতে ব্যাপক ভুর্তকি দিচ্ছে। সহজে ঋণ পাবার ব্যবস্থা করেছে সরকার। যার কারণে কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে। কৃষকরা যাতে সহজে ও কম সুদে ঋণ নিয়ে ফসল ফলাতে পারেন সেজন্য ব্যাংকগুলোর প্রকাশ্য এই ঋণ বিতরণ মেলা প্রভাব ফেলবে। সব সময়ই ব্যাংক থেকে কৃষি ঋণ পাওয়া যাবে। শতকরা চার টাকা হারে এই ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হবে। ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন একজন কৃষক।
তিনি আরো বলেন, ব্যাংক গুলোকে সরকারি নির্দেশনা মেনে সহজশর্তে কৃষকের মাঝে কৃষি ঋণ প্রদানে আহবান জানানো হয়।
কৃষি ঋণ মেলায় গোসাইরহাট ৯ টি ব্যাংক ও ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান ৯টি স্টলে ঋণ বিষয়ক তথ্য প্রদর্শন করে। মেলায় সুবিধাভোগী কৃষক বা ঋণ গ্রহীতাদের স্টলগুলো থেকে ঋণ গ্রহণ ও প্রদান বিষয়ক ধারণা দেওয়া হয়। মেলায় ৪৫ জন ঋণ গ্রহীতার মধ্যে ১ কোটি ২ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়। কৃষি খাতে সার, বীজও কীটনাশক ব্যবসা, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ ধান ও সস্য উৎপাদন।
মেলায় সকল ব্যাংক ও ঋণদানকারী সংস্থার, ব্যবস্থাপক, প্রতিনিধি ও সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।