বছরব্যাপী ফল চাষে, অর্থ পুষ্টি দুই-ই আসে’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে জাতীয় ফল মেলা-২০২২ উপলক্ষে মহিষকান্দি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা ও স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ৪৫০ টি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
১৩ আগস্ট শনিবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ হল রুমে উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শাহাবুদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাফী বিন কবির।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সুজন দাশ গুপ্ত, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুজ্জামান, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার নাজমুল হাসান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার চৌধুরী, উপজেলা আইসিটি অফিসার মাইনুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা নাহিয়ান, ইন্সট্রাক্টর গোসাইরহাট উপজেলা রিসোর্স সেন্টার এস.এম ছিদ্দিকুর রহমান, দারিদ্র বিমোচন অফিসার গোপাল চন্দ্র প্রমূখ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, দেশে প্রতি বছর ফলের উৎপাদন বাড়ছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বে কাঁঠাল উৎপাদনে দ্বিতীয়, আমে সপ্তম, পেয়ারায় অষ্টম এবং পেঁপে উৎপাদনে চতুর্দশতম স্থানে রয়েছে। বাজারে বছরব্যাপী মৌসুমী ফলের সরবরাহ জাতীয়ভাবে দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
কৃষি অফিসার বলেন, বাংলাদেশের মানুষের চিরাচরিত খাদ্যাভ্যাস বদলে যাচ্ছে। দানাজাতীয় খাদ্য গ্রহণ কমিয়ে ফল, শাকসবজি গ্রহণের আগ্রহ বাড়ছে অনেকের মাঝে। আমি আশা করি, এই ইতিবাচক পরিবর্তন চলমান রাখতে এবং দেশে উৎপাদিত ফল সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে সম্যক ধারণা দিতে ‘জাতীয় ফল মেলা-২০২২’ ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।
তারা আরো বলেন, বেশি করে ফলদ বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘জাতীয় ফল মেলা ২০২২’ নতুন প্রজন্মকে বৈচিত্রময় ফল সম্পর্কে ধারণা প্রদানসহ ফলদ বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করবে। পাশাপাশি স্ট্রবেরি, রাম্বুটান, ড্রাগনফল, এভোকেডো, মিষ্টি তেঁতুল ইত্যাদি বিদেশি ফলের আবাদ বৃদ্ধির জন্যও উদ্যোগ নিতে হবে।