সাকিব এভিয়েশনের মালিক ও দৈনিক হুংকার সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ হাবিবুর রহমান নেতৃত্বে ১৭৬ জন হজ্জ যাত্রী কোন প্রকার ঝামেলা ছারাই শুক্রবার পবিত্র মক্কা নগরীতে পৌঁছেছে।
১ জুলাই শুক্রবার রাত ৩টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ১৬৯ জন ও বেলা ৩টায় অপর একটি ফ্লাইটে ৭ যাত্রী বাংলাদেশের ঢাকাস্থ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে যাত্রা করে। এর পূর্বে আশকোনা হজ্জ ক্যাম্পে তাদের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হয়।
ঢাকা ত্যাগের পূর্বে এলজিইডির সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আল্লা হাফিজ বলেন, আমি ৪র্থ বারের মতো সাকিব এভিয়েশনের মাধ্যমে পবিত্র হজ্জ পালনের জন্য যাচ্ছি। বিগত ৩ বারে তাদের সেবা এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায় কাজের জন্য আমি সন্তুষ্ট। দোয়া করবেন এবারও যেন আমরা সাকিব এভিয়েশনের মাধ্যমে ভালভাবে আমাদের হজ্জের সকল কার্যাদি সম্পন্ন করে আসতে পারি।
শরীয়তপুরের সাবেক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মরিয়ম মুন মঞ্জুরীর বোন মালেকা মুন মঞ্জুরী বলেন, আমরা ময়মসিংহ বিভাগের মানুষ, আমার বোন শরীয়তপুরে কর্মরত থাকাকালিন আমি সাকিব এভিয়েশনের মালিক হাবিব সাহেবের সম্পর্কে জেনেছি। এরপর তাদের মাধ্যমে আমরা দু’জন প্রাকনিবন্ধন করি। দুই বছর করোনার কারণে পবিত্র হজ্জ বন্ধ থাকায় আল্লাহর রহমতে এবার যাচ্ছি। দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আমাদের হজ্জকে কবুল করেন।
ভেদরগঞ্জ উপজেলার নাজিমপুরের সন্তান ঢাকার তরুন ব্যবসায়ী মোঃ জুয়েল মোল্যা বলেন, অত্যান্ত সল্প সময়ে আমি আল্লাহর রহমতে সাকিব এভিয়েশনের মালিক হাবিব ভাইয়ের সহযোগিতায় সস্ত্রীক পবিত্র হজ্জে যাচ্ছি। এটা আমি নিজেও ভাবতে পারছিনা। মহান আল্লাহ সহায় ছিলেন বলেই হয়তো হাবিব ভাই এটা করতে সক্ষম হয়েছেন। ফ্লাইটের ২ দিন পূর্বেও আমি জানতাম এবার আমার যাওয়া হবেনা। ২৮ জুন হাবিব ভাই বলেন আল্লাহর রহমতে আপনাকে নিয়ে যাবো! স্বপ্নের মতো ২৯ তারিখ আমাকে স্বাস্থ্য ও পিসিআর পরীক্ষা করিয়ে বললেন আগামী কাল ৩ টায় আপনার ফ্লাইট। আমি এ জন্য আল্লাহর কাছে এর পরে সাকিব এভিয়েশনের মালিক হাবিব ভাই, কর্মকর্তা মিল্লাত ভাই, টিটু ভাইসহ সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি আল্লাহ ঘরে ও রাসুল (সঃ) এ রওজায় গিয়ে আপনারদের ও দেশের মানুষে জন্য দোয়া করবো ইনশাআল্লাহ।
সাকিব এভিয়েশনের মালিক ও দৈনিক হুংকার সম্পাদক আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান হাবীব বলেন, আমরা ঢাকা থেকে শান্তিপুর্ণ ভাবে সৌদি আরবের জেদ্দা আন্তজার্তিক বিমান বন্দরে অবতরণ করি। সেখান থেকে আমাদের সৌদি মোয়াল্লেম ৩০ মক্তব আমাদে গ্রহণ করে মক্কার হোটেলে পৌঁছে দেয়। আমাদের সকল হাজি সাহেবগণ ভাল আছেন। প্রথম দিনেই পবিত্র ওমরাহ ও জুম্মার নামাজ আমরা আদায় করতে পেরেছি ইনশাআল্লাহ। এটা আমাদের ২২তম কাফেলা এর পূর্বে আমরা ২১টি কাফেলা মহান আল্লাহর রহমতে ভাল ভাবে সম্পন্ন করেছি। পূর্বের থেকে এবছর কাগজ পত্রের ঝামেলা ও ডিজিট্যালাইস্ট হওয়ায় আমাদের দেশের হাজি সাহেবদের কিছুটা কষ্ট হলেও এখানে কোন সমস্যা হয়নি। আমরা ই-সেবা সম্পর্কে সচেতন হলে আল্লাহর রহমতে এসকল সমস্য থাকবেনা। আমাদের দেশের ডিজিট্যাল সেবার অনেক অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এখন শুধু আমাদের মিলিয়ে চলতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের সেবার মানের কারণে প্রতি বছরই আমাদের হজ্জযাত্রি বাড়ছে। এবার আমাদের সাথে প্রখ্যাত প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন, চিকিৎক, প্রকৌশলী, রাজনীতিক, ব্যাবসায়ীগণ এসেছেন। দোয়া চাই আমরা যেন তাদের যথাযথ সেবা দিয়ে হজ্জের সকল কার্যক্রম সঠিক ও সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করাতে পারি। আল্লাহ আমাদের সহায় হউন।