শরীয়তপুরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের খেয়ালে শরীয়তপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দেয়ালে ভেসে উঠেছে পদ্মা সেতু। পদ্মা সেতুকে ঘিরে শিশুদের চিন্তা, চেতনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রকাশ পেয়েছে চিত্র, কবিতা ও রচনার মাধ্যমে। ৩০টি বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থীদের রংতুলিতে অঙ্কিত পদ্মা সেতুর চিত্রকর্ম এবং পদ্মা সেতুকে নিয়ে কলমে কালিতে প্রকাশিত কবিতা ও রচনা বেষ্টিত দেয়াল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় পরিদর্শণ করেছেন জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান। দেয়াল পরিদর্শণ কালে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনদীপ ঘরাই, শরীয়তপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদ হোসেন সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দেয়ালে খেয়ালে পদ্মা সেতু অঙ্কন, কবিতা ও রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীগণ সারিবদ্ধভাবে দেয়ালের পাশে দাঁড়িয়ে জেলা প্রশাসকের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। তখন অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে জ্যোতি জানায়, পদ্মা সেতু রাজধানী শহর ঢাকার সাথে দক্ষিণ অঞ্চলের ২১টি জেলার সেতুবন্ধন তৈরী করেছে। এই চিন্তা চেতনাকে দেয়াল পত্রিকার মাধ্যমে প্রকাশ করেছে তারা। পদ্মা সেতু যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করে মানুষের জীবনযাত্রার মান ত্বরান্বিত করবে। পদ্মা সেতুকে ঘিরে নতুন প্রজন্মের সৃষ্টিশীল চেতনা বিকশিত হবে বলে ধারণা তাদের।
জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান বলেন, পদ্মাসেতু সোনালী শ্যামল ভূমির শরীয়তপুরবাসী কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ, বরণ ও ধারণ করে। এই সেতুকে ঘিরে আগামী দিনের সুবিধাভোগী নতুন প্রজন্ম। আজ তারা পদ্মা সেতুকে নিয়ে তাদের চিন্তা-চেতনা ও ভাবনা দেয়াল পত্রিকার মাধ্যমে প্রকাশ করেছে। আমরা তাদের প্রকাশিত পদ্মা সেতুর অঙ্কিত চিত্র, কবিতা, রচনাবলী মূল্যায়ন করে পুরস্কৃত করব।
সদর উপজেরা নির্বাহী অফিসার মনদীপ ঘরাই বলেন, এখানে আজ ৩১টি কবিতা প্রদর্শিত হয়েছে। তাছাড়া যারা প্রবন্ধ লিখেছে ও স্বপ্নের পদ্মা সেতুর চিত্রাঙ্কণ করেছে সবকিছুর সমন্বয়ে জেলা ও উপজেরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকাশনা বের করা হবে। আমরা চাই পদ্মা সেতু বাংলাদেশের প্রত্যেকটা হৃদয়ের সংস্পর্শে থাকবে।