আজ , , ,

শরীয়তপুরে মাজার নির্মাণ কেন্দ্র করে উত্তেজনা, প্রশাসনে অভিযোগ

শরীয়তপুরে করোনাকালে মারা যাওয়া এক ব্যক্তির নামে মাজার তৈরীতে পায়তারা করতেছে এলাকার একটা মাজার পূজারী চক্র। মাজার নির্মাণে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইসলামের স্বপক্ষের এলাকায় শক্তি। জোর করে মাজার নির্মাণ করলে যে কোন সময় এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হওয়ার আশঙ্কায় এলাকাবাসী জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করে পুলিশ সুপারকে অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে।
স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, শরীয়তপুর সদর উপজেলার তুলাসার ইউনিয়নের উত্তর গোয়ালদি (মৃধা কান্দি) এলাকার আলম হাওলাদার নামে এক ব্যক্তি ২০২০ সালে করোনাকালীন সময়ে মৃত্যু বরণ করেন। বর্ষাকালে তার মৃত্যু হওয়ায় কবরে পানি উঠতে পারে আশঙ্কায় কবর পাঁকা করে তাকে দাফন করা হয়। কিছুদিন ধরে স্থানীয় ফজলে মৃধা ও মৃত আলম হাওলাদারের স্ত্রী রিনা বেগম সেখানে মাজারের নামে ব্যানার ফেস্টুন ঝুলিয়ে রেখেছেন। পুলিশ হেড কোয়াটারের পরিদর্শক পরিচয়ে এক ব্যক্তি ঢাকা থেকে লোকজন নিয়ে সেখানে আসে। কবরে সেজদা করে এবং গান বাজনা করে উল্লাস করেন। বর্তমানে মাজারের নামকরণ করা হয়েছে শাহ সূফি হজরত নূরে আলম আল-কাদরী শরীয়তপুরী (রঃ আঃ) এর দরবার শরীফ নামে।
আবেদনকারী সালাউদ্দিন মৃধা বলেন, আলম হাওলাদার ঢাকার ডেমরায় প্রাইভেট গাড়ি চালাইতেন। এলাকায় আসার পরে মারা যায়। পুলিশ পরিচয়ে এক ব্যক্তি ঢাকা থেকে লোকজন নিয়ে এসে কবরে সেজদা করে। গান বাজনা বাজায়। এলাকার বেশীরভাগ মানুষ মুসলিম তাই এলাকায় ইসলাম বিরোধী কাজ হতে দিতে পারি না। তাছাড়া কবরে সেজদা করা শিরক। মাজার পূজার স্বপক্ষে তাদের কাছে নাকি কোরআন হাদিসের আলোকে দলিল আছে, তাও দেখায় না। এভাবে চলতে থাকলে এলাকার যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে। যারা মাজার পূজা বিশ্বাস করেনা এমন শতাধিক ব্যক্তি স্বাক্ষর করে জেলা প্রশাসকের বরাবর আবেদন করেছি।
সাবেক মেম্বার মজিবর মৃধা বলেন, আমরা ছোট সময়ে মক্তবে ও স্কুলে যেতাম। আলমকে কখনও মক্তবে বা স্কুলে যেতে দেখিনি। আলম পরে ঢাকায় চলে যায়। অনেক বছর পরে গ্রামে ফিরে আসার বছর খানেক পরে মারা যায়। এখন তার ভক্তবৃন্দ এসে কবর পাঁকা করে মাজার তৈরী করে। কবরে সেজদা করে। গান করে। এলাকাবাসী মাজার পূজা বিশ্বাস করে না। তাই পূজারীদের বাঁধা দেয়। তারা জোর করে মাজার তৈরী করতে যাওয়ায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করতেছে। ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপ হলে এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হবে।
মৃত আলমের স্ত্রী রিনা বেগম বলেন, আমার স্বামী আল-কাদরী তরিকার ছিলেন। আমার স্বামী ২০২০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মারা যায়। তার ভক্তরা এসে ওফায়েত দিবসে ওরশ করে। মাজারের পাশে বসে জিকির আসকার করে। এলাকার মানুষ বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Share this news as a Photo Card


১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নড়িয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী উপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ

www.hongkar.com |
dailyhongkar