আজ , , ,

শরীয়তপুরে চিতলিয়া ইউপিতে চেয়ারম্যানসহ সকল সদস্য বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত

প্রতিদ্বন্দ্বী কোন প্রার্থী না থাকায় শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যগণ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। আসন্ন নির্বাচনে চিতলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীসহ অন্যান্য সদস্যগণের বিপক্ষের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা সকলে তাদের প্রার্থীতা স্বেচ্ছায় প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বলে জানা গেছে। এলাকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা ও অভ্যন্তরীণ দলীয় কোন্দল নিরসনে তারা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন বলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানিয়েছেন।
শুক্রবার বিকেলে আংগারিয়ায় অবস্থিত আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মাস্টার হারুন অর রশীদের বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে চেয়ারম্যানসহ প্রতিটি সদস্য পদে একক প্রার্থী বহাল রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন বলে জানিয়েছেন। ফলে চিতলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মাস্টার হারুন অর রশীদ হাওলাদারসহ সকল সদস্যগণ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন। আগামী ১১ নভেম্বর এ ইউনিয়নে আর কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এসময় মাস্টার হারুন অর রশীদসহ প্রার্থীতা প্রত্যাহার করা সকল প্রতিদ্বন্দ্বী সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, চিতলিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হন মাস্টার হারুন অর রশীদ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হন বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম হাওলাদার। আওয়ামী লীগের তৃনমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল সৃষ্টি হওয়ার আশংকায় আব্দুস সালাম হাওলাদার ইতোমধ্যে তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী সদস্যগণও স্বেচ্ছায় প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন।
কিন্তু এ ইউনিয়নে স্বাক্ষর জাল করে এবং জোরপূর্বক প্রার্থীতা প্রত্যাহার করার অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদ সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ কয়েকটি মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। এতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে। এর অবসান ঘটাতেই সংবাদ সম্মেলন করেন প্রার্থীতা প্রত্যাহারকারী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। চিতলিয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রার্থী হন আব্দুল হাই মৃধা, এমদাদ হোসেন চৌকিদার ও আইয়ুব আলী খান। এদের মধ্যে এমদাদ হোসেন চৌকিদার ও আইয়ুব আলী খান তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিলে আব্দুল হাই মৃধা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মেম্বার নির্বাচিত হন। এরপর এমদাদ হোসেন চৌকিদার ও আইয়ুব আলী খানের স্বাক্ষর জাল করে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের গুজব ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

Share this news as a Photo Card


১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নড়িয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী উপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ

www.hongkar.com |
dailyhongkar