শরীয়তপুর পৌরসভার গত নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে বিপুল ভোটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয় মোয়াজ্জেম হোসেন ঢালী। নির্বাচনের পূর্বেই জনগণের দুর্ভোগ-দুর্দশা নিরশনে কাজ করার ঘোষণা দেন তিনি। জনগণও কাউন্সিলর প্রার্থী মোয়াজ্জেমের কথা বিশ্বাস করে তাদের মূল্যবান আমানত পবিত্র ভোট দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত করেন। নির্বাচন পরবর্তী ১০ মাস অতিবাহিত হলেও কাউন্সিলর তার কথা থেকে এক পাঁও সরে দাঁড়াননি। সরকারী কোন অনুদানের অপেক্ষা না করে নিজস্ব অর্থায়নে এই পর্যন্ত তিনি জনগণকে দেওয়া অনেক প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন। পৌরসভার চৌরঙ্গী মোড় থেকে স্বর্ণঘোষ দিঘিরপাড় অভিমুখী এডভোকেট সুলতান হোসেন মিয়া সড়কের খানাখন্দ মেরামত করা তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যে না থাকলেও মানুষের ভোগান্তি নিরশনে সেই সড়কে নিজ অর্থায়নে কাজ করে চলেছেন এই জননন্দিত কাউন্সিলর।
শরীয়তপুর পৌরসভার গত পরিষদের মেয়র মো. রফিকুল ইসলাম কোতোয়ালের সময় বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সড়কটি গত বছরের ২৮ জানুয়ারী আলহাজ্ব এডভোকেট সুলতান হোসেন মিয়া সড়ক নামকরণ করে উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু। উদ্বোধনের কয়েক মাসের মধ্যেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও খানা খন্দের সৃষ্টি হয়। কাউন্সিলর মোয়াজ্জেম হোসেন ঢালী নিজ অর্থায়নে তা মেরামত করে জন ভেগান্তি নিরশনে কাজ করে চলছেন।
এই সড়কে চলাচলকারী গাড়ি চালক, যাত্রি ও পথচারীরা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, এই রাস্তা নির্মাণের পূর্বে একযুগ ভাঙ্গা রাস্তায় কষ্ট করেছি। নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার পরেও ২ বছর অসীম ভোগান্তি হয়েছে আমাদের। নির্মাণ শেষে রাস্তা উদ্বোধনের ৩ মাসের মাথায় রাস্তায় ফাটল ও খানাখন্দ শুরু হয়। কাউন্সিলর মোয়াজ্জেম ঢালীই আমাদের কষ্ট বুঝে বার বার রাস্তা মেরামত করতেছে। আমরা তার দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
কাউন্সিলর মোয়াজ্জেম হোসেন ঢালী বলেন, জনগণের দূর্ভোগ-দূর্দশা নিরশন করব প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণের মূল্যবান ভোটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছি। এখন জনগণের আমানত রক্ষা করার দায়িত্ব আমার। যদিও এই সড়কের খানাখন্দ মেরামত করার দায়িত্ব আমার না তবুও আমার ওয়ার্ডে যতদূর পড়েছে ততটুকু আমার নিজস্ব অর্থায়নে মেরামত কাজ শুরু করেছি। এর শেষ পর্যন্ত মেরামত করব। ৪নং ওয়ার্ডবাসীর যেন দূর্ভোগ আমার দ্বারা না হয় সেদিকে আমি খেয়াল রাখব।