জেলা প্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান বলেছেন, মুজিববর্ষে কোনো পরিবার গৃহহীন থাকবে না। প্রধানমন্ত্রীর এমন দিক নির্দেশনায় প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। মোস্তফা করাতিকে নিয়ে সংবাদটি খুব হৃদয়স্পর্শী ছিল। সংবাদটি প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর প্রকল্প পরিচালক মাহবুব হোসেন ও পরিচালক প্রশাসন ওচমান গনি স্যারের নজরে আসার পর ঘরের জন্য দ্রুত বরাদ্দ দেন। সে ঘরই আজ এ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মোস্তফা করাতির কাছে হস্তান্তর করা হলো। এ ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ, ঘরে বসবাস করার জন্য ঘাট, লেপ তোষক ও এক মাসের কাচা বাজার সহ অন্যান্য সামগ্রী দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় ডামুড্যা উপজেলার দারুল আমান ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের উত্তর ডামুড্যা গ্রামের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মোস্তফা করাতি ও পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড ঠেঙ্গার বাড়ি এলাকার অসহায় ফিরোজা বেগম কে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর বুঝিয়ে দেওয়া সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ডামুড্যা উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন মাঝি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সবিতা সরকার, পৌরসভার মেয়র রেজাউল করিম রাজা ছৈয়াল, ডামুড্যা থানা অফিসার ইনচার্জ শরীফ আহমেদ, দারুল আমান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোক্তার হোসেন খান, ডামুড্যা প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিকুল ইসলাম সোহেল, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নান্নু মৃধা, কাউন্সিলর মোঃ লোকমান হোসেন, ইউপি সদস্য মোঃ সবুজ করাতি সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মোস্তফা করাতি। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘সারা জীবন কষ্টই করেই গেলাম। সুখ কি জিনিস আমি জীবনে সেটা বুঝিনি। এসময় এসে পাকা ঘরে থাকবো জীবন কাটাবো এটা ভাবতেই ভালো লাগছে। আমাদের মতো গরিবের শেষ আশ্রয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাজার বছর বেঁচে থাকুন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।