আজ , , ,

মাঝিকান্দি ও শিমুলিয়া ঘাটে ফেরী চালুর দাবিতে অনশন কর্মসূচি পালন

শরীয়তপুর-মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাঝিকান্দি রুটে ফেরী চালু করার দাবিতে গণঅনশন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ১০টা থেকে ‘পদ্মা সেতু রক্ষা কমিটি’ নামক একটি সংগঠনের ব্যানারে ছাত্তার মাদবরের ঘাটে নবনির্মিত ফেরিঘাটের পল্টুনের সামনে গণঅনশনে বসেছে অনেকে।
অনশনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ কমাতে জাজিরা-শিমুলিয়া নৌ-রুটে চালু হয়েও অজানা কারণে ফেরী চলাচল বন্ধ রয়েছে। অজানা কারণ উদ্ঘাটন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে ছাত্তার মাদবর-মঙ্গল মাঝিরঘাট দিয়ে ফেরী চলাচল শুরু করতে হবে। না হলে অনশন অব্যাহত থাকবে।
অনশনকারীরা আরো জানান, মাস খানেক পূর্বে জাজিরা প্রান্তে অর্ধ কোটি টাকা ব্যয়ে ফেরীঘাট সংস্কার করা হয়েছে। নতুন করে পল্টুন আনা হয়েছে। ২৬ আগস্ট পরীক্ষামূলক এবং ২৭ আগস্ট শুক্রবার থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে ফেরী চলাচলের কথা জানিয়েছিলেন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কোন এক অজানা কারণে এই ফেরী চলাচল এখনো শুরু করতে পারেনি। তাই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের দূর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
ভুক্তভোগীরা জানায়, অসুস্থ রোগী ও মরদেহ পর্যন্ত আনা নেয়ার ব্যবস্থা নাই এই ঘাটে। মুমূর্ষ রোগীবাহীও এ্যাম্বুলেন্স পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া অথবা চাঁদপুর-শরীয়তপুর ঘাট ব্যবহার করতে হচ্ছে। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে যেতে অনেক সময় বেশী লাগে। অনেক সময় পথিমধ্যেই রোগীর মৃত্যু হয়।
পদ্মা সেতু রক্ষা সংগঠনের সমন্বয়কারী জামাল বলেন, পদ্মা সেতুর পিলারে আঘাত লাগলে আমাদের অন্তরে আঘাত লাগে। অল্প সময়ের ব্যবধানে ৫ বার সেতুর পিলারে আঘাত লেগেছে। বিকল্প পথ হিসেবে মাঝির ঘাট ব্যবহার করা যায়। আমাদের দাবী মেনে না নিলে অনশন থেকে আমরা আন্দোলনে যাব।
উল্লেখ্য, ১৮ আগস্ট থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ফেরী চলাচল বন্ধ রয়েছে। সর্বশেষ ফেরী বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর পদ্মা সেতুতে আঘাত হানে। এর পূর্বে আরও চারবার ফেরী আঘাত করে পদ্মা সেতুর পিলারে। জরুরী সেবা নিশ্চিত করতে নৌ পরিবহন এ্যাম্বুলেন্স, লাশবাহী গাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ ছোট যানবাহন চলাচলের জন্য ছাত্তার মাদবর-মঙ্গল মাঝি ফেরী ঘাট স্থাপন করেন। এই পর্যন্ত খাটে ফেরী চলাচল শুরু করা সম্ভব হয়নি।

Share this news as a Photo Card


১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নড়িয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী উপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ

www.hongkar.com |
dailyhongkar