“শিশুদের আনন্দক্ষণে আমরা হলাম অংশীদার” এ প্রতিপাদ্য নিয়ে দীর্ঘ দেড় বছর পরে খোলা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিলেন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান। ১২ সেপ্টেম্বর রোববার কোভিড-১৯ চলাকালীন দীর্ঘ বিরতির পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুণরায় পাঠদান শুরুর মুহূর্তে জেলা সদরের ৪ টি বিদ্যালয়ে কাপড়ের তৈরি মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করেন জেলা প্রশাসক মো: পারভেজ হাসান। এসময় সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি বিদ্যালয়ে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে গোলাপ ও বাংলাদেশ এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন এর লোগো সম্বলিত মাস্ক দিয়ে শিক্ষার্থীদের বরণ করা হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসক প্রতিটি শ্রেণি কক্ষে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের উপর দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্যে বলেন, প্রথম দিনের ক্লাসে সম্মানিত শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি পালন সম্পর্কে ধারণা দিবেন। দীর্ঘ ছুটির অবসাদ কাটিয়ে লেখাপড়ায় মনোযোগী করতে প্রথম ক্লাসেই আপনারা মোটিভেশনাল বক্তব্য দিবেন। সেই সাথে ৬-৮ সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার চাপ দেওয়া না হয়। সেই সাথে শ্রেণী কক্ষে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নেয়ার জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান।
জেলা প্রশাসক আরো বলেন, প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট এলাকার করোনা সংক্রমণ ও পরিস্থিতি প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করা হবে। খুলে দেওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকার ওয়ার্ড, ইউনিয়নে সংক্রমণের হার ১০ শতাংশ হলে অতি ঝুঁকিপুর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে ওই বিদ্যালয় চালু রাখার বিষয় পুর্নবিবেচনা করবে শিক্ষা প্রশাসন। এছাড়া প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দকে সচেতন করতে স্বাস্থ্যবিধির উপর সরকারি নির্দেশনা সম্বলিত ড্রপ-ডাউন ব্যানার সরবরাহ করার কথা জানান।