Friday 19th July 2024
Friday 19th July 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/public_html/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

সাপের বিষের প্রতিষেধক প্রতিটি হাসপাতালে রয়েছে: তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হাবিবুর রহমান

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: মো. হাবিবুর রহমান। ছবি-দৈনিক হুংকার।

রাসেল ভাইপার সাপ আগে থেকেই বাংলাদেশে ছিল। এখনও আছে। বর্তমানে চরাঞ্চলে এই সাপের আতঙ্ক বেশী ছড়িয়ে পড়েছে। অন্যান্য বিষাক্ত সাপের চাইতে রাসেল ভাইপার কম বিষাক্ত। বিষাক্ত সাপের ছোবলে কেউ আহত হলে প্রথমে ক্ষত স্থান কাপড় বা গজ দিয়ে বেধে ফেলতে হবে। পরে দ্রুত সময়ের মধ্যে রোগীকে নিকটতম স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। জেলা সদর হাসপাতাল সহ প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত এন্টিভেনম, ভ্যাকসিন রয়েছে। রয়েছে প্রশিক্ষিত চিকিৎসক। সাপের ভয়ে কেউ আতঙ্কিত হবেন না। এসব কথা বলেছেন শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হাবিবুর রহমান।
তিনি আরো জানান, সাপ নিরীহ প্রাণী। সে আঘাতপ্রাপ্ত না হলে কামড়ায় না। যারা ক্ষেতে খামারে কাজ করে তাদের একটু শতর্ক থাকতে হবে। জমিতে কাজের সময় গর্তের ভিতরে হাত দেওয়া ঝুকিপূর্ণ। কিং কোবরা, গোখরা, জাতিসাপ সহ দেশে ৬ প্রজাতির বিষাক্ত সাপ রয়েছে। রাসেল ভাইপার সেই তুলনায় কম বিষাক্ত। এখনও রাসেল ভাইপার সাপের কামড়ে আহত কোন রোগী হাসপাতালে আসেনি। অন্যান্য যে সকল বিষাক্ত সাপের কামড়ে আহত রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে আসে তাদের অনেকের পথেই মৃত্যু হয়ে যায়। যাদের মৃত্যুর পূর্বে হাসপাতালে আনা হয় তাদের আমরা চিকিৎসা দিয়ে থাকি। তবে যে সকল সাপ বিষাক্ত না সেই সাপেও মানুষের আতঙ্ক রয়েছে।
তবে চরাঞ্চলবাসীরা জানিয়েছেন, চরে প্রচুর পরিমান সাপের উৎপাত। আতঙ্কিত না হওয়ার কোন কারণ নাই। সাপ মানুষকে বিষাক্ত ছোবল মারে। এতে অনেকের মৃত্যুও হয়েছে। এখনও মানুষের বসত ঘরে, রান্না ঘরে ও গোয়াল ঘরে সাপের বিচরণ। সাপুড়ে মিনু ঢালী তাদের একমাত্র ভরসা। তাকে সাপের সংবাদ দিলে ছুটে গিয়ে সাপ ধরে নেয়। মানুষকে সাপের আতঙ্ক থেকে মুক্ত করেন।
সাপুড়ে মিনু ঢালী জানিয়েছে, ৩৬ বছরে তিনি ১০ হাজারের বেশী সাপ ধরেছেন। সাপের ডিম ধ্বংস করেছেন প্রায় ২ লাখ। সব ডিম থেকে বাচ্চা হলে মানুষ সাপ আতঙ্কে পা ফেলতে পারত না। এই পর্যন্ত তিনি ৩টি রাসেল ভাইপার ধরেছেন। তা দীর্ঘদিন আগে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।