শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প এর আওতায় সুফল ভোগীদের মাঝে বিকল্প কর্মসংস্থানের উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (৯ অক্টোবর) বেলা ১২টার সময় উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিবন্ধনধারী অসহায় ২০ জন প্রকৃত জেলেদের মাঝে ছাগল, খোয়ার ঘর, খাদ্য বিতরণ করা হয়।
এ সময় প্রধান অতিথি বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প এর আওতায় জেলেদের জন্য একটি কম্পোনেন্ট রয়েছে। জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান হিসেবে দরিদ্র জেলেদের মাঝে জন প্রতি ২টি ছাগল ও খোয়ার ঘর দেয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে নিষিদ্ধকালীন সময় তারা যাতে বিকল্প কর্মসংস্থান করে বাঁচতে পারে তার জন্য সরকারের এই ব্যবস্থা।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল হক জানান, মৎস্য অধিদপ্তরের দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে গোসাইরহাট উপজেলায় নিবন্ধিত জেলেদের তালিকা থেকে উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত জেলেদের মাঝে ২০ জন দারিদ্র জেলেকে ২টি করে ছাগল মোট ৪০টি ছাগল, ২০টি খোয়ার ঘর, বিতরণ করা হয়েছে। যার মাধ্যমে নিষিদ্ধ কালীন সময় যে ইলিশ মাছ, জাটকা আহরণ করা হয় তা থেকে তারা যেন বিরত থাকে। অর্থাৎ নিষিদ্ধকালীন সময় তারা যাতে বাঁচতে পারে বিকল্প কর্মসংস্থান সেই হিসেবেই সরকার এই প্রকল্প এর মাধ্যমে এই সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাফী বিন কবির এর সভাপতিত্বে উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসাঃ নাজমা বেগম, সিনিয়র উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হক, কোদালপুর ইউপি চেয়ারম্যান এস এম মিজানুর রহমান, কুচাইপট্টি ইউপি চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন স্বপন, আলাওলপুর ইউপি চেয়ারম্যান ওসমান বেপারী, ২০ জন উপকারভোগীসহ অনেকেই।
এসব উপকরণ পেয়ে উপকারভোগী খুবই খুশি এবং সরকার ধন্যবাদ জানান। দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প, বাস্তবায়ন করেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তৃসা ট্রেডার্স এন্টারপ্রাইজ।