রবিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৬ রজব ১৪৪৪ হিজরি
রবিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

মোংলা বন্দর দিয়ে আমদানি করা হয় ৮০ শতাংশ গাড়ি

মোংলায় গাড়ি আমদানিকারকদের সাথে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা। ছবি-দৈনিক হুংকার।

গাড়ি আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টাস এন্ড ডিলার এসোসিয়েশন (বারভিটা) সভাপতি মো. হাবিবুল্লাহ ডন বলেছেন, দেশে গাড়ি আমদানিকারদের আস্থার জায়গা এখন মোংলা বন্দর। আমদানি করা গাড়ির নিরাপত্তার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ এখন নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা এখন আর মোংলা বন্দরে ঘটে না। তিনি আরো জানান, আমদানিকৃত গাড়ির প্রায় ৮০% গাড়িই এখন মোংলা বন্দর দিয়ে আমদানি করা হয়।
২৮ নভেম্বর সোমবার সকাল ১১টায় বন্দরের সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় গাড়ি আমদানিকারকদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত উদ্যোগে ও সরকারের দীর্ঘ দিনের প্রচেষ্টার ফলে ৮ হাজার ৯০০ টি গাড়ি আমদানির মাধ্যমে মোংলা বন্দরে গাড়ি আমদানি শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে এ বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানি বাড়তেই থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় বিগত বছরের সকল রেকর্ড ভেঙ্গে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ৮০৮টি গাড়ি আমদানি হয় এই বন্দর দিয়ে। বন্দর চেয়ারম্যান আরো বলেন, আমদানিকৃত গাড়ির শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের দায়িত্ব মোংলা বন্দরের। আপনাদের কোন ধরণের অভিযোগ থাকলে আমাকে সরাসরি লিখিত জানাবেন আমরা সাথে সাথে ব্যবস্থা নেব।
সভায় গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বারভিডার নেতৃবৃন্দসহ বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার, সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) মো. ইমতিয়াজ হোসেন, পরিচালক (প্রশাসন) মো. শাহীনুর আলমসহ অন্যান্য পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মোংলা বন্দরে গাড়ি আমদানি বৃদ্ধির কারণ হিসেবে আমদানিকারক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরণের প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা, বন্দর থেকে আমদানিকৃত গাড়ি স্বল্প সময়ের মধ্যে খালাসকরণ। আমদানিকৃত গাড়ি রাখার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষের উন্নতমানের শেড ও ইয়ার্ড নির্মাণ ও আমদানিকৃত গাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সার্বক্ষণিক টহল ও সিসি ক্যামেরা মনিটরিং ব্যবস্থা।
চলতি বছরে পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় এখন মোংলা বন্দর থেকে ঢাকায় যেকোন পণ্য পরিবহণে সময় লাগবে মাত্র ৩ থেকে ৪ ঘন্টা। ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম বন্দরের দূরত্ব ২৬০ কিলোমিটার। সেখানে ঢাকা থেকে মোংলা বন্দরের দূরত্ব ১৭০ কিলোমিটার। ফলে তুলনামূলক একটি গাড়ি বন্দর থেকে খালাসের পর খুবই কম সময়ে ও স্বল্প খরচে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হবে বলে এই বন্দরে গাড়ি আমদানি বাড়ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।