মঙ্গলবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি
মঙ্গলবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ফোন করলেই খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেবে জেলা প্রশাসন

ফোন করলেই খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেবে জেলা প্রশাসন
ফোন করলেই খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেবে জেলা প্রশাসন

করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টা থেকে সারা দেশের ন্যায় শরীয়তপুরেও কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ঘরবন্দি শরীয়তপুরের নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ বিপাকে পড়েছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানাগেছে ফোন করলেই তাঁদের ঘরে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া হবে। করোনার চলমান এ সংকট মোকাবিলা করার জন্য ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের জেলার ত্রাণ কার্যালয়ে ৩৩ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা ও ১৪৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ পেয়েছে, যা ৩০ জুনের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ত্রাণ শাখা সূত্রে জানা যায়, করোনার সংক্রমণ রোধে দ্বিতীয় দফার বিধিনিষেধ শুরু হওয়ার পর থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ করা টাকা ও চাল বিতরণ কাজ করেছে জেলা প্রশাসন।
গত ২৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত জেলায় ৮ কোটি ৮১ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা দিয়ে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৯৫ পরিবারকে সহায়তা করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের, উপজেলা প্রশাসনের ও ৩৩৩ (ট্রিপল থ্রি) নাম্বারে ফোন করে খাদ্য সহায়তা চাইলেই বিপাকে পড়া কর্মহীন মানুষের বাড়িতে খাদ্যসহায়তা ও নগদ টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে।
কঠোর বিধিনিষেধের প্রথম দিন থেকে যাতে মানুষ খাদ্য সহায়তা পায়, তা জানিয়ে স্থানীয় প্রশাসন থেকে প্রচারণা চালানো হয়েছে। এ ছাড়া করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবারের ফোন নম্বরে খুদেবার্তা দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসন থেকে। ওই খুদেবার্তায় জানানো হয়েছে, করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও তাঁর পরিবারের খাদ্যসহায়তা প্রয়োজন হলে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জানাতে। তাহলে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মীরা তা পৌঁছে দেবেন।
শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনদীপ ঘরাই লকডাউনের প্রথম দিনে আংগারিয় বাজারের এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাত দিনের খাদ্যসহায়তা দিয়ে তার দোকান বন্ধ করে দেয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বলেন, দেড় বছরের কাছাকাছি সময় ধরে করোনার প্রভাব। আগের মতো আয় নেই। বিভিন্ন সময় লকডাউনে ব্যবসা বন্ধ রাখতে হচ্ছে। অসহায়ভাবে জীবনযাপন করছি। জানি না সামনের দিনগুলো কীভাবে পার করব। সরকারি সহায়তা নিতেও লজ্জা লাগছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।