শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ২০ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১১ রজব ১৪৪৪ হিজরি
শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

জাজিরায় সরকারের ভর্তুকির কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ

জাজিরায় সরকারের ভর্তুকির কৃষি যন্ত্রপাতির উপকরণ বিতরণ করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান সোহেল। ছবি-দৈনিক হুংকার।

স্মার্ট বাংলাদেশে, কৃষি হবে যান্ত্রিক ও আধুনিক এই লক্ষ্যে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় জাজিরা উপজেলায় ৫ জন কৃষকের মাঝে ৫০% ভর্তুকির আওতায় পাওয়ার থ্রেসার ও মেইজ শেলার বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারী) জাজিরা উপজেলা পরিষদ মাঠ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে যন্ত্রগুলো বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাজিরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুল হাসান সোহেল। অনুষ্ঠানে কৃষি যন্ত্রপাতির প্রয়োজনীয়তা, ব্যবহার ও ভর্তুকি নিয়ে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ জামাল হোসেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জাজিরা উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি জি এম নুরুল হক, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার, উপসহকারী কৃষি অফিসারগণ, কাউন্সিলরগণ, প্রকল্প ভুক্ত কৃষক সহ অন্যান্য সুধীবৃন্দ।
সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান সোহেল বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জাজিরার উপজেলার কৃষি এক সময় যান্ত্রিক ও স্মার্ট কৃষিতে রূপান্তরিত হবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বর্তমান সরকার কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ত্বরান্বিত করতে কৃষকদেরকে ৫০-৭০% ভর্তুকিতে কৃষি যন্ত্রপাতি দিচ্ছে। এই ভর্তুকি বা প্রণোদনা দেয়ার ফলে দেশে দ্রæত কৃষি যান্ত্রিকীকরণ হচ্ছে। দেশের বিজ্ঞানীরা প্রচুর আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। আমনের স্বল্পজীবনকালের ধান উদ্ভাবন করেছে। ফলে আমন ও বোরো মৌসুমের মাঝের সময়ে সরিষা আবাদ সম্ভব হচ্ছে, এটি একটি অতিরিক্ত ফসল ও নতুন ক্রপিং প্যাটার্ন। খড়া ও লবণাক্ত সহিষ্ণু ধানের জীবন রহস্য উম্মোচন হয়েছে।
আমাদের দেশের জন্য উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগুলো মাঠ পর্যায়ে পৌঁছানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এসব উদ্ভাবিত প্রযুক্তি মাঠে যাচ্ছে খুবই ধীর গতিতে। আপনাদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি মাঠে না গেলে, কৃষক সুফল না পেলে, সেগুলো উদ্ভাবন করেও কোন সুফল পাওয়া যাবে না। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন দেশে এখন উন্নত কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। সেগুলোকে কীভাবে তাড়াতাড়ি দেশে ব্যবহারোপযোগী করা যায়, উৎপাদনের কাজে লাগানো যায়, তা দেখে ব্যবস্থা নিন।
ভর্তুকির মাধ্যমে পাওয়ার থ্রেসার প্রাপ্ত কৃষকরা হলেন উপজেলার সেনেরচর ইউনিয়নের সালাম খান, জাজিরা ইউনিয়নের রিপন বেপারী, পালেরচর ইউনিয়নের শেফালী বেগম এবং মেইজ শেলার (ভূট্টা মাড়াই যন্ত্র) পাওয়া কৃষকরা হলেন কুন্ডেরচর ইউনিয়নের মোস্তাক খান, উপজেলার মুলনা ইউনিয়নের সাইদুর মাদবর।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।