রবিবার, ২ অক্টোবর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরি
রবিবার, ২ অক্টোবর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

জাজিরা কৃষি বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শনে উপপরিচালক

জাজিরা কৃষি বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শনে উপপরিচালক
জাজিরায় প্রদর্শনীয় প্রকল্পের উপকরণ বিতরণ করছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মতলুবর রহমান। ছবি-দৈনিক হুংকার।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নবযোগদানকৃত উপপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মতলুবর রহমান জাজিরা উপজেলার কৃষি বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন। তিনি ৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার উপজেলা কৃষি অফিস পরিদর্শনের মাধ্যমে তার কর্মসূচী শুরু করেন।
এ সময় তিনি উপজেলায় কর্মরত উপসহকারী কৃষি অফিসারগণের সাথে চলমান আমন মৌসুমে অতি দ্রুত আমন আবাদ সম্পন্ন করার বিষয় মতবিনিময় করেন। এর পরে সার পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে আলোচনা চলমান বিএডিপি প্রকল্পের কৃষক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন। পরে প্রদর্শনীভুক্ত কৃষকদের মাঝে প্রদর্শনী উপকরণ বিতরণ করেন। ইফনাপ (পারিবারিক পুষ্টি বাগান প্রকল্প), ডিএই প্রকল্পের কমিউনিটি বেইজড ভার্মিকম্পোস্ট উৎপাদন প্রকল্প পরিদর্শন করেন। এছারাও কাজির হাটে তাৎক্ষণিক পরিদর্শনের অংশ হিসাবে মেসার্স জুয়েল ট্রেডার্স, মেসার্স আবুল খায়ের ও ভাই ভাই ট্রেডার্স পরিদর্শন করেন। এ সময় জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার গোলাম রশুল, জাজিরা উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জামাল হোসেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার বীথি রানী বিশ্বাস, কৃষি প্রকৌশলী মোকতার হোসেন, এএইও মোঃ কেরামত আলী মোল্লা, সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপসহকারী কৃষি অফিসার ইমতিয়াজ হোসেন শাওন, নাসির উদ্দিন এবং অন্যান্য এসএএও গণ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় প্রধান অতিথি উপপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মতলুবর রহমান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন প্রতি ইঞ্চি অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনতে হবে। এই নির্দেশনা অনুসারে অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপনে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পুরোপুরি সরকারী অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এই প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশের ইউনিয়ন ও পৌরসভার বসতবাড়ির অব্যবহৃত জমিতে প্রায় ৫ লাখ পুষ্টি বাগান স্থাপন করা হয়েছে। এজন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। পরিবারের সারা বছরের শাক-সবজি ও মসলার চাহিদা পূরণ করার জন্য সরকার এই প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে। পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে করোনায় শুধু খাদ্যসঙ্কটই মোকাবেলা করা সম্ভব হবে, তাই নয়, গ্রামীণ অর্থনীতিও সচল হয়ে উঠবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।