মঙ্গলবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি
মঙ্গলবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

আউশে সোনা রংগে হাসছে জাজিরার কৃষক

আউশে সোনা রংগে হাসছে জাজিরার কৃষক
আউশে সোনা রংগে হাসছে জাজিরার কৃষক

বৃষ্টি নির্ভর আউশ ধান উৎপাদনে বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকারের গৃহীত নীতি ও পদক্ষেপে দেশের অন্যান্য এলাকার মত জাজিরাতেও বৃদ্ধি পেয়েছে আউশ ধানের উৎপাদন।
অনুকূল আবহাওয়া,সরকারে সহায়তা ও প্রনোদনার পাশাপাশি কৃষি বিভাগের সময় উপযোগি পরামর্শ্যরে ফলে ২০২০-২১ মৌসুমে জাজিরাতে রোপা আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয় জাজিরা থেকে প্রাপ্ত তথ্য জানাযায় চলতি বছরে ২ হাজার১ শ ৫০ হেক্টর জমিতে স্থানীয় সাইট্টা, নড়ই জাতের পরিবর্তে ব্রিধান ৪৮, ব্রিধান ৬৫, ব্রিধান৮২, ব্রিধান৮৫, বিনাধান ১৯ নামীয় নতুন নতুন উফসী জাতের সোনালী ধান আবাদ করা হয়েছে। সোনা রংগের এ ধানের বাতাসে দোল খাওয়া দেখে হাসছে জাজিরা কৃষক। উপসী জাতের ধানের গড় ফলন ৫.০ টনের চেয়ে বেশি।
এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় বিলাশ পুর ইউনিয়নের সেকান্দর সরদারের সাথে তিনি বলে” কৃষি অফিস থেকে বিনাধান ১৯ থানের একটি প্রদর্শনী পাই, এই ধান এলাকায় একদম নতুন আমি বীজ রাখছি অনেকেই আমার কাছ থেকে বীজ কিনে নিচ্ছে। আমার ১ বিঘা জমিতে কাচা ২২ মন ধান হয়েছে, বাবুইপাখি কিছু খেয়ে ফেলছে না হলে আরো বেশি হত, আমরা এই জাত পেয়ে খুশি “।
উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা —- বলেন, জাজিরাতে আউশ ধান উৎপাদনে যেসব নিয়ামক কাজ করছে তার মধ্যে সরকারের আউশ প্রণোদনা, বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নত জাত, এ বছরের অনুকূল পরিবেশ সহ সরকারের কম মূল্যের বীজ ও সারের প্রাপ্ততা অন্যতম।
জাজিরা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ জামাল হোসেন বলেন, বর্তমান সরকারের সুদূরপ্রসারী চিন্তা হল বৃষ্টি নির্ভর আউস উৎপাদন বাড়ানো যাতে করে গ্রাউন্ড ওয়াটার হার্ভেষ্ট কম হয় সেই সাথে উৎপাদন খরচ কমিয়ে ধান উৎপাদন কে লাভজনক করা সেই লক্ষ্যে আমরা মাঠ পর্যায়ের অফিসারদের মাধ্যমে কৃষকদের কে নিয়ে আউশ উৎপাদন কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি, এই জন্যে স্থানীয় জাতের বদলে আধুনিক উফসী যেমন ব্রিধান৮২, ব্রিধান৮৫ এবং বিনাধান১৯ এর মত জাত কে নিয়ে এসেছি যার গড় ফলন ৫ টনের মত”। বর্তমানে আউশ উৎপাদন কে বাড়াতে জাজিরাতে ১৩৯০ জন কে উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে বিনা মূল্যে সার, বীজ সরবরাহ করেছি। এছাড়া এনএটিপি২ প্রকল্প, ৭ জেলা প্রকল্প সহ আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নত মানের ধান গম ও পাট বীজ উৎপাদন প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নত মানের আউশ ধানের বীজ উৎপাদন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলে সবজির মত ধান উৎপাদনেও জাজিরা প্রথম হরে ইনশাআল্লাহ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।