শুক্রবার, ২৭শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১২ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
শুক্রবার, ২৭শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

জাজিরায় সেনাবাহিনীর খাদ্যদ্রব্য সহায়তা প্রকল্পে ১৩টি পণ্যের পশরা

জাজিরায় সেনাবাহিনীর খাদ্যদ্রব্য সহায়তা প্রকল্পে ১৩টি পণ্যের পশরা

শরীয়তপুরের জাজিরায় ২৩ মে শনিবার বেলা সারে ১১টায় ২৮ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সেনাবাহিনী পূর্ব নাওডোবা হাই স্কুল মাঠে খাদ্যদ্রব্য সহায়তা প্রকল্প নামে ১মিনিটের ঈদ বাজারে ১৩টি পণ্যের পশরা সাজিয়ে বসেছে। অসহায় দুস্থ ও নিম্ন আয়ের মানুয়েরা কোন প্রকার মূল্য পরিশোধ না করেই খাদ্যদ্রব্য সহায়তা প্রকল্পের এক মিনিটে ঈদ বাজার থেকে প্রয়োজনীয় সকল পন্য গ্রহন করতে পারবে। চরাঞ্চলের মানুষেরা এই ঈদ বাজারে না এসেও ঘরে বসে পাবে এর সুবিধা। যাদের পেটে ক্ষুধা কিন্তু মান-সম্মান রক্ষার্থে এই ঈদ বাজারে আসতে পারছেন না ই-মেইলে আবেদন করলে তাদের পন্য ঘরে পৌঁছে দিবেন সেনা সদস্যরা।
জাজিরা উপজেলার পূর্ব নাওডোবা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সেনাবাহিনীর ত্বত্ত¡াবধায়নে নিরাপত্তা বেষ্টুনির মধ্যে এক মিনিটে ঈদ বাজারের প্রধান ফটকে চোখে পড়ার মতো বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে ‘ঈদ মোবারক’। প্রবেশ পথে রয়েছে সাবান, পানি ও জীবানু নাশক সামগ্রী। জীবানুমুক্ত হয়ে সুবিধাভোগী কম্পিউটারের মাধ্যমে কার্ড প্রদর্শণ করে এক মিনিটে ঈদ বাজার থেকে পণ্য গ্রহনের যোগ্যতা অর্জণ করবে। পরে ১৩টি স্থরে সাজিয়ে রাখা টেবিল থেকে সবজি, সবজির বীজ, চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, তেল, চিনি, সেমাই, সাবান, চিড়া, মুড়ি ও বাচ্চাদের পোষাক নিয়ে যায় সুবিধাভোগীরা। খাদ্যদ্রব্য সহায়তা প্রকল্পের এক মিনিটের ঈদ বাজার থেকে ৫০০ পরিবারকে সহায়তা দেয়া হবে।
লেফট্যান্ট কর্ণেল সামিউদৌলো চৌধুরী বলেন, আমরা ১ লক্ষ ৬০ হাজার টন বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করবো। পবিত্র ঈদ-উল ফিতরকে সামনে রেখে এই পদ্ধতি গ্রহন করা হয়েছে। এই বাজারে খাদ্য সামগীসহ মোট ১৩টি পণ্য রাখা হয়েছে। যারা কার্ড নিয় আসবে তারা কার্ড প্রদর্শণ করে এই বাজার থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পণ্য সামগ্রী নিয়ে যাবে। যারা মধ্যবিত্ত তাদের নাম আমরা তালিকাভুক্ত করেছি। চরাঞ্চল ও মধ্যবিত্তদের আমরা ঈদ সামগ্রী বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিব।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।