রবিবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২১শে রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
রবিবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

পল্লী বিদ্যুতের অবহেলায় প্রাণ গেল ২ শ্রমিকের, আহত আরো ৪ জন

পল্লী বিদ্যুতের অবহেলায় প্রাণ গেল ২ শ্রমিকের, আহত আরো ৪ জন
পল্লী বিদ্যুতের অবহেলায় প্রাণ গেল ২ শ্রমিকের, আহত আরো ৪ জন

শরীয়তপুর সদর উপজেলার কোটাপাড়ায় পল্লী বিদ্যুতের লাইন সংস্কারের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ২ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আরো ৪ শ্রমিক আহত হয়। আহত ২ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ ও অপর ২ জনকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
১৮ অক্টোবর রোববার দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আহত ৬ শ্রমিককে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। বিকাল ৩টার দিকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতরা টাঙ্গাইল জেলার নাটেরপুল গ্রামের মৃত আবুল কালামের ছেলে সোহেল (২৩) ও গাইবান্ধা জেলার বিশ্বনাথপুর গ্রামের মৃত দিদারের ছেলে আরিফ (২২)।
স্থানীয় সূত্র ও শ্রমিকদের অভিযোগ, কোটাপাড়া-গাগরীজোড় এলাকায় রোববার বেলা ১টার দিকে পল্লী বিদ্যুতের লাইন সম্প্রসারণ কাজের অংশ হিসেবে ঠিকাদারের চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকরা কাজ করছিলেন। কাজের শুরুতে ওই এলাকার পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়। কোন প্রকার শতর্ক বার্তা ছাড়াই এক পর্যায়ে সম্প্রসারণ লাইনে সংযোগ (পাওয়ার) চালু করে দেয় শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। এসময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৬ শ্রমিক আহত হয়। আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দুইজনের মৃত্যু ঘোষণা করেন।
অপর আহত ৪ জনের ২ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। অপর দুইজন শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাইড ইন্সেপেক্টর রকিবুল ইসলাম বলেন, আমরা ২৩ জন শ্রমিক নিয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন সংস্কারের কাজ করছিলাম। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত পল্লী বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন বন্ধ রাখার কথা ছিল। কিন্তু বেলা ১টার দিকে হটাৎ সঞ্চালন লাইন চালু করে দেওয়ায় এই দূর্ঘনা ঘটে।
পালং মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামাল বলেন, আমরা সংবাদ পেয়ে নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠাই। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শরীয়তপুর পল¬ী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) জুলফিকার আলী বলেন, সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সঞ্চালন লাইন বন্ধ রাখা হয়েছে। কিভাবে এই শ্রমিকরা মারা গেছে তা আমার জানা নেই। তদন্ত করলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।