শুক্রবার, ২৭শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১২ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
শুক্রবার, ২৭শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

শরীয়তপুরে আবারও শিধেল চোরের উৎপাত বেড়েছে

শৌলপাড়ার নান্নু হাওলাদারের ঘরে শিধ কেটে চুরি। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুরের বিভিন্ন এলাকায় আবারও শিধেল চোরের উৎপাত বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় প্রতি রাতেই ঘরে শিধ কেঁটে বিভিন্ন এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটছে। কাঁচা ঘরে বসবাসকারীদের রাতের ঘুম নষ্ট করছে এই সংঘবদ্ধ চোর চক্র।
শরীয়তপুর সদর উপজেলার শৌলপাড়ায় একই রাতে তিনটি ঘরে শিধ কেঁটে চুরির ঘটনা ঘটে। নান্নু হাওলাদার, আব্দুল হাই মুন্সী ও সাদ্দাম হাওলাদারের ঘরে শিধ কেঁটে মোবাইল ফোন, টর্চ লাইট ও নগদ টাকা নিয়ে যায় চোরেরা। এলাকার নেশাখোর ও জুয়ারীরা এই ঘটনা ঘটিয় থাকতে পারে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন।
নান্নু হাওলাদার জানায়, সে রাত ৩ টার দিকে দেখেন তার ঘরে টর্চের আলো জ¦লতেছে। তখন সে চোর চোর বলে আওয়াজ করে। সাথে সাথে ঘরের পিছনের দিক দিয়ে দিকে দৌড়ে বাগানের দিকে পালিয়ে যায়। তখন সে মোবাইল ফোন ও টর্চ লাইট দেখতে না পেয়ে চার দিকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। এরমধ্যে দেখে শিধ কেঁটে ঘরে চোর প্রবেশ করেছে।
প্রতিবেশী সাদ্দাম হাওলাদার জানায়, চোর চোর শব্দ শুনে তার ঘুম ভেঙ্গে যায়। সে বিছানায় মোবাইল ফোন খুজে পাচ্ছিল না। মোবাইল ফোন খুঁজতে খাটের নিচে টর্চ মারেন। তখন দেখেন খাটের নিচ দিয়ে শিধ কেঁটে তার ঘরে চুরি করেছে।
অপর প্রতিবেশী আব্দুল হাই মুন্সি সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন, তার ঘরের পিছন দিক দিয়ে শিধ কাঁটা। পরে সে ঘরে গিয়ে দেখেন তার মোবাইল ফোন নাই। তার ছেলে প্রবাসে থাকে। চোরদের ধারণা ছিল ছেলের পাঠানো টাকা ঘরে আছে তাই আমার ঘরে চোর ঢুকতে পারে।
স্থানীয়দের ধারণা এলাকায় বেকারত্ব বেড়েছে। বেকার ছেলেরা জুয়া ও মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়তেছে। তাদের মধ্য থেকেই হয়তো এই ধরণের ঘটনা ঘটাতে পারে। প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর পূর্বে এই ধরণের ঘটনা সচরাচর ঘটত। অনেক বছর এমন ঘটনা এই এলাকায় ঘটেনি। এখন আবার শিধের চোরের উৎপাত বৃদ্ধি পেয়েছে।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।